মেইন ম্যেনু

পাকা কলায় মাকড়সা, ভয়ে বাড়িছাড়া গোটা পরিবার!

মানুষের ভয়ে পালিয়ে বাঁচে মাকড়সা। আর সেই মাকড়সার ভয়ে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে গোটা পরিবার।

ব্রাজিলীয় এই মাকড়সার এক কামড়ে ভায়াগ্রাও হার মানবে! কোনো পুরুষকে একবার কামড় বসিয়ে দিলে একটানা কয়েক ঘণ্টা ইরেকশন।

এমন মাকড়সার ভয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে গোটা পরিবার। খাল কেটে কুমির আনার মতোই সুপার মার্কেট থেকে কলা কিনে এই মাকড়সা ঘরে ঢুকিয়েছিলেন বাড়ির কর্তা। এখন গোটা পরিবার বাড়িছাড়া।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভয়ানক বিষধর এই মাকড়সা একবার কামড়ালে অবধারিত মৃত্যু। যে কারণে এই মাকড়সাকে বলা হয় ‘ডেডলি স্পাইডার’। আবার ‘বানানা স্পাইডার’ও এর আরেক নাম।

কারণ কলা হলো এই মাকড়সার পছন্দের বিচরণ ক্ষেত্র। বাজার থেকে কলা কিনে এই মাকড়সাই ঘরে ঢুকিয়েছিলেন অ্যাশলে গাম্বল। খেয়ালও করেননি তিনি যে, এই মাকড়সারাই কলার খাঁজে বাসা বেঁধে রয়েছে।

যখন দেখেছেন, তখন গোটা রান্নাঘরে ছড়িয়ে পড়ে। গাম্বল দম্পতির প্রতিক্রিয়া, এই মাকড়সাদের ঘরে চড়তে দেখে মনে হলো, যেন হরর মুভি!’ ভ্যাকুম ক্লিনার দিয়ে ধরার চেষ্টা করেছিলেন। পারেননি। তাই ঝুঁকি না নিয়ে স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে ঘর ছেড়েছেন।

ব্রাজিলিয়ান এই স্পাইডারের নিবাস সাধারণত দক্ষিণ আমেরিকা। তবে ব্রাজিলেই সবচেয়ে বেশি এদের দেখা যায়। এখন উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপেও মাঝেমধ্যে দেখা মেলে।

একে মনে করা হয়, দুনিয়ার বিষাক্ততম মাকড়সা। যন্ত্রণা দিয়ে লোককে মারে। নিশ্চিত মৃত্যু। তার আগের কয়েক ঘণ্টায় পেটের পেশিতে টান ধরা, ঝাপসা দৃষ্টি, হাইপোথারমিয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়। পুরুষদের মধ্যে কয়েক ঘণ্টার যন্ত্রণাদায়ক ইরেকশনও দেখা যায়।