মেইন ম্যেনু

পাকিস্তানের বড় জয়

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানের আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৩২১ রান। তা অবশ্য ২০০৯ সালে। লঙ্কানদের বিপক্ষে ৬ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো তিন শতাধিক (৩১৬) রান তুলল রোববার তৃতীয় ওয়ানডেতে। আর তাতে ১৩৫ রানের বড় জয় নিশ্চিত হয়েছে সফরকারীদের। এই জয়ের ফলে ৫ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

রোববার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আজহার আলী। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩১৬ রান তোলে তার দল। জবাবে ৪১.১ ওভারে ১৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা।

ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে আহমেদ শেহজাদ ও আজহার আলী মিলে ৯৩ রানের জুটি গড়েন। এরপর ব্যক্তিগত ৪৪ রানে আউট হন শেহজাদ। ১২৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৪৯ রানে রান আউটে কাটা পড়েন অধিনায়ক আজহার আলী। তৃতীয় উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ হাফিজ ও সরফরাজ আহমেদ মিলে দলীয় স্কোর টেনে নেন ১৯৬ রান পর্যন্ত।

এরপর ব্যক্তিগত ৫৪ রানে আউট হন বোলিংয়ে নিষিদ্ধ হওয়া হাফিজ। সরফরাজের সঙ্গে এসে জুটি বাঁধেন শোয়েব মালিক। তারা দুজন দলীয় স্কোর টেনে নেন ২৫৭ রান পর্যন্ত। এ সময় ব্যক্তিগত ৭৭ রানে রান আউট হয়ে যান সরফরাজ। এরপর আর কোনো উইকেট না হারিয়ে দলীয় স্কোরটাকে ৩১৬ পর্যন্ত নিয়ে যান মালিক ও রিজওয়ান। এ যাত্রায় শোয়েব মালিক ৪২ ও রিজওয়ান ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

৩১৭ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৯৩ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বসে শ্রীলঙ্কা। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস থেমে যায় ১৮১ রানে। শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫৬ রান আসে লাহিরু থ্রিমান্নের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান করেন কুশাল পেরেরা।

বল হাতে পাকিস্তানের ইয়াসির শাহ ৪ উইকেট নেন। ২টি করে উইকেট নেন আনোয়ার আলী ও ইমাদ ওয়াসিম। একটি উইকেট পান রাহাত আলী। ৭৭ রান করে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন সরফরাজ আহমেদ।