মেইন ম্যেনু

পাকিস্তানের ভয়াবহ কিছু ভূমিকম্প

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে গতকাল সোমবার ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এ ভূমিকম্পে তিন শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাকিস্তানেই ২৫৩ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ার কারণে দেশটিতে বিশেষ করে সিন্ধু, পাঞ্জাব এবং খাইবার পাখতুনকেয়া এলাকাগুলোতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। নিচে দেশটির ভয়াবহ ভূমিকম্পের তালিকা তুলে ধরা হল:

৮৯৩-৮৯৪
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের শাহাবাদ এলাকায় ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানলে দেড় লাখ মানুষ নিহত হয়।

২ মে, ১৬৬৮
সিন্ধুর এলাহবুন্ধ এলাকায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল ৫০ হাজার ।

১৬ জুন, ১৮১৯
সিন্ধুরএলাহবুন্ধ এলাকায় ভূমিকম্পে ৩ হাজার ২শ মানুষ প্রাণ হারায়।

২৪ সেপ্টেম্বর ১৮২৭
পাঞ্জাবের লাহোর শহরে ভূমিকম্পে ১ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭.৮।

৩১ মে ১৯৩৫
বেলুচিস্তানে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ৩০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।

২৪ নভেম্বর ১৯৪৫
বেলুচিস্তানে ৮ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাতে ৪ হাজার মানুষ নিহত হয়। ভূমিকম্পের পর সুনামি অঅঘাত হেনেছিল।

২৮ ডিসেম্বর ১৯৭৪
উত্তর পশ্চিম ফ্রন্টিয়ার প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় ৬. ২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানলে ৫ হাজার ৩শ নিহত এবং ১৭ হাজার আহত হয়েছিল।

৮ অক্টোবর ২০০৫
আজাদ কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদ জেলায় ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এক ভয়াল ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে ৮০ হাজার নিহত এবং আহত হয়েছিল ২ লাখের মত মানুষ। গৃহহীন হয়েছিল আরো ৪০ লাখ মানুষ। এই ভূমিকম্পের প্রভাবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত দেশটিতে ৯৭৮টি ছোট ছোট ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল।

২৯ অক্টোবর ২০০৮
কোয়েটায় ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ২১৫ জন নিহত হয়েছিল। গৃহহীন হয়েছিল ১ লাখ ২০ হাজার মানুষ।

২৮ অক্টোবর, ২০০৮

কোয়েটা ও এর আশপাশের এলাকায় আঘাত হেনেছিল ৬ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প। এতে ১৬০ জন নিহত এবং ৩৭০ জন আহত হয়েছিলেন।

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩
বেলুস্তানে ভূমিকম্পে ৮২৫ জন মারা গিয়েছিল। এর মাত্রা ছিল ৭.৭

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩
বেলুচিস্তানের আওরান এলাকায় ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানলে ৪শ জন নিহত হয়।