মেইন ম্যেনু

পাকিস্তানে নিষিদ্ধ বলিউডের ১০ ছবি

পাক-ভারত সম্পর্ক দেশভাগের পর থেকেই বৈরী। তারপরও এই দুটি দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম নিঃসন্দেহে চলচ্চিত্র। পাকিস্তানে বলিউডি ছবি জনপ্রিয় হলেও অনেক ছবিরই সেখানে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়। এর মধ্যে ব্যবসাসফল বাণিজ্যিক ছবির সংখ্যাই বেশি। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কারণ ছাড়া পাকিস্তানে অনেক সময় স্থানীয় বাজার রক্ষার কারণেও স্থগিত করা হয়েছে বলিউড ছবির মুক্তির তারিখ। গ্র্যাবহাউসের ফিচারে জানা গেল পাকিস্তানে নিষিদ্ধ বা আটকে যাওয়া বলিউডের ১০টি ছবির কথা।

১. এক থা টাইগার

সালমান-ক্যাটরিনা জুটির এই সুপারহিট ছবি আটকে গিয়েছিল পাকিস্তানে। পাকিস্তানি সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্সের সঙ্গে সংঘাতের কাহিনী থাকায় এ ছবির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয় পাকিস্তানে।

২. যব তক হ্যায় জান

কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিজপোজাল স্কোয়াডের কর্মকাণ্ড দেখানোর ঘটনা থাকায় এ ছবির ওপর আপত্তি জানিয়েছিল পাকিস্তান। পরে কাটছাঁট করে করাচিতে এক রেড কার্পেট প্রিমিয়ারের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হয়েছিল।

৩. চেন্নাই এক্সপ্রেস

‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’-এর সমস্যা ছিল ভিন্ন। এ ছবিটি যেদিন পাকিস্তানে মুক্তি পাওয়ার কথা, ওই দিন পাকিস্তানের চারটি বিগ বাজেট ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। এ কারণেই পাকিস্তানে ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’ যাত্রা প্রাথমিকভাবে আটকে দেওয়া হয়েছিল।

৪. এজেন্ট বিনোদ

মুক্তি পাওয়ার পরপরই পাকিস্তানে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে ছবিটি। এ ছবিতে সাইফ আলী খান অভিনয় করেছেন ভারতীয় স্পেশাল এজেন্ট তথা গুপ্তচর হিসেবে, যার লক্ষ্য কিনা পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স আইএসআই। শুধু তাই নয়, এ ছবিতে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের তালেবান সহায়ক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

৫. দ্য ডার্টি পিকচার

ভারতের বিতর্কিত অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতার ওপর নির্মিত এই বায়োপিককে বেপরোয়া বিদ্যা বালান কিংবা অজস্র খোলামেলা দৃশ্যের জন্য একবারেই হজম করা সম্ভব হয়নি পাকিস্তানি সেন্সর বোর্ডের কাছে!

৬. খিলাড়ি ৭৮৬

ছবির বেশ কিছু বিষয় মুসলিম ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানতে পারে, এই যুক্তিতে অক্ষয় কুমারের ছবিটি পাকিস্তানে আলোর মুখ দেখেনি।

৭. তেরে বিন লাদেন

ওসামা বিন লাদেন এবং বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদিতা নিয়ে স্যাটায়ার করা এই ছবির বিষয়বস্তু পাকিস্তানি সেন্সর বোর্ডের বিশেষ পছন্দ হয়নি। একই সঙ্গে, দেশটির আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার দুর্বলতা উপস্থাপন করাটাও ছিল বড় ধরনের আপত্তির বিষয়।

৮. ভাগ মিলখা ভাগ

মিলখা সিংয়ের ওপর নির্মিত বায়োপিক, এটাই ছিল এই ছবির বড় সমস্যা! মিলখা সিংকে পাকিস্তানে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, তাঁর যুক্তি ছিল-দেশভাগের সময়ে পাকিস্তানে তার পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। প্রথমে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরে অবশ্য ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল পাকিস্তানে।

৯. ডেভিড

পাকিস্তানি সেন্সর বোর্ডের নির্দিষ্ট শর্তাবলির সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকায় এবং বেশ কিছু বিষয়ে অভিযোগে এই ছবিটি মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি পাকিস্তানে।

১০. লাহোর

কিক-বক্সিংয়ের কাহিনী নিয়ে গড়ে ওঠা এই ছবিতে পাকিস্তান-ভারতের সুসম্পর্ক তৈরির পথ হিসেবে খেলাধুলাকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও এ ছবির বেশ কিছু সংলাপ এবং দৃশ্যের বিষয়ে আপত্তি জানায় পাকিস্তানি সেন্সর বোর্ড। এ কারণে ছবিটি পাকিস্তানে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি।