মেইন ম্যেনু

পাক দূতাবাস কর্মীকে হয়রানির অভিযোগ খতিয়ে দেখবে সরকার

পাকিস্তানি দূতাবাসের এক কর্মীকে আটকের ঘটনায় পুলিশের হয়রানির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার অ্যালিসেন ব্লেকের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাটের সঙ্গে দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত সোফি অবেয়ার সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও হয়নি।

গতকাল সোমবার ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের প্রেস শাখার কর্মী আবরার আহমেদ খানকে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’র কারণে গুলশান থেকে গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে পরে ছেড়ে দেয়। আবার একই দিন ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস শাখার কর্মী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ছয় ঘণ্টা পর গভীর রাতে তিনি বাসায় ফেরেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সুজা আলমকে ডেকে প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে তাদের স্টেট ডিপার্টমেন্ট বাংলাদেশে আইএসসহ জঙ্গিগোষ্ঠী সম্পর্কে তথ্য দিতে চেয়েছিল। এজন্য আমার সঙ্গে বৈঠকও করতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি সময় দিতে পারিনি। বরং তাদের বাংলাদেশে আসার আহ্বান জানিয়েছিলাম। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই বৈঠক। আমরা কীভাবে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা করছি সে বিষয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানতে চেয়েছিল।’

‘আমি তাদের বলেছি, আমাদের কাছে তথ্য নেই, তাদের কাছে যদি (আইএস জঙ্গি) কোনো তথ্য থাকে তাহলে আমাদের দিতে। কারণ সন্ত্রাসবাদের কোনো সীমারেখা নেই। এটি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়। এ বিষেয় তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’ যোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকের বিষয়ে বার্নিকাট বলেন, ‘আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। অর্থপাচার ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় পুলিশ বাহিনী প্রশিক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন তা প্রশংসনীয়। যুক্তরাষ্ট্রও এ নীতিতে বিশ্বাস করে।’