মেইন ম্যেনু

‘পাগলের লজ্জা থাকলেও ইনুর কোনো লজ্জা নেই’

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে বুঝে-শুনে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, পাগলের লজ্জা থাকলেও ইনুর কোনো লজ্জা নেই।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দুদু বলেন, ‘পাগলের লজ্জা থাকলেও ইনুর কোনো লজ্জা নেই। অথচ সেই ইনু বিএনপির চেয়ারপারসনকে জেল ও আদালতের বারান্দার ভয় দেখান। ইনু সাহেব বুঝে-শুনে কথা বলবেন।’

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইনুর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই দিন শেষ দিন নয়, সামনে আরও দিন আসবে। তখন আপনার ঠাঁই কোথায় হবে?’

অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘অবসর গ্রহণের পর বিচারকের লেখা রায় বেআইনি ও অসাংবিধানিক মর্মে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বক্তব্য জনগণের মধ্যে আশা সৃষ্টি করেছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতির ওই বক্তব্য ছিল লাখ লাখ মানুষের মনের প্রতিধ্বনি। সেজন্য তার ওই বক্তব্যে সরকার বিপদে পড়েছে। সে কারণে মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী বলেছেন, তিনি হতাশা থেকে এ কথা বলেছেন। উনি আইনই জানেন না।’

সরকারের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি যদি আইন না জানেন তাহলে একজন আইন না জানা লোককে আপনারা কীভাবে প্রধান বিচারপতি করলেন? বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা তো জাতীয় সংসদের, যদিও এ সংসদ বাকশালী সংসদ। এখানে কোনো বিরোধী দল নেই।’

রিজভী বলেন, ‘প্রতিটি শোককে প্রতিরোধের জন্য উদ্দীপ্ত করতে হবে। আন্দোলন চলাকালে গুলশান কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অমানবিক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। তার ওপর অবিচার, অন্যায় ও জুলুম করা হয়েছে। ওই ঘটনার প্রতিশোধের জন্য আমাদেরকে প্রতিশোধে উদ্দীপ্ত হয়ে কাজ করতে হবে।’

আলোচনা সভা শেষে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ আব্দুল মালেক।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুনীর হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

উল্লেখ্য, আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় মারা যান।-বাংলামেইল