মেইন ম্যেনু

পানির নিচে শহর, ক্ষুধা লাগলে ডাউনলোডে হবে খাবার!

ভবিষ্যতে মানুষের জীবনযাত্রার প্রযুক্তি কীভাবে প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে গবেষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টমিনিস্টার ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। ওই দলে ছিলেন ভবনের নকশা ও নগর পরিকল্পনা বিষয়ের শিক্ষক-শিক্ষর্থী। গবেষণা শেষে তাঁরা ‘স্মার্টথিংস ফিউচার লিভিং রিপোর্ট’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন।

গবেষকরা বলেন, ১০০ বছর পর মানুষ এমন ভবনে বাস করবে যার ২৫ তলাই হবে মাটির নিচে। এ ছাড়া পানির নিচে গোলাকৃতির কাচের বলের মধ্যে শহর তৈরি করে বসবাস করবে মানুষ।

মানুষের ব্যক্তিগত চলাচলের জন্য তৈরি হবে ড্রোন। আবার ড্রোন পানির ওপর টেনে নিয়ে বেড়াবে মানুষের বাড়িঘর।

গবেষকদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষ্যতে শুধু ঘরের আসবাবই নয় ঘরবাড়িও তৈরি হবে থ্রিডি প্রিন্টারে। আর কর্মক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হবে হলোগ্রাফিক স্ক্রিন, যে কারণে অনেক দূরে থেকেও কোনো আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন অফিসের কর্মীরা। আর ভবিষ্যতের মানুষ ক্ষুধা লাগলে খাবার ডাউনলোড করে থ্রিডি প্রিন্টারে প্রিন্ট করে নেবে। মানুষের বাড়ির দেয়াল হবে এলইডি স্ক্রিনের।

গবেষকরা আরো বলেন, ১০০ বছর পর চাঁদে ও মঙ্গলে মানুষ বসতি স্থাপন করবে। এখনই মহাকাশে ভ্রমণ দেখা যায়। ভবিষ্যতে এটি হবে অতিস্বাভাবিক।