মেইন ম্যেনু

পাবনায় লোকসানের মুখে বেড়ায় পাঁচ শতাধিক পোল্ট্রি খামার বন্ধ

রবিউল ইসলাম শাহীন, জেলা প্রতিনিধি, পাবনা : পাবনার বেড়া উপজেলার মুরগী খামারীরা লোকসানের কবলে পরেছেন। লোকসানের কবলে পওে বেড়ার অর্ধেকের বেশী মুরগীর খামার বন্ধ হয়ে গেছে। যারা এখনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারাও কেজি প্রতি ২০-২৫ টাকা লোকসান দিয়ে মুরগী বিক্রি করছেন। উপজেলায় খামারীরা মাইকিং করেও মুরগী বিক্রি করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বেড়া উপজেলায় সহস্রাধিক মুরগীর খামার রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচশর কাছাকাছি খামার ক্রমাগত লোকসানের কারণে বন্ধ করে দিয়েছেন মালিকরা। বাকিগুলোও লোকসান হওয়ায় বন্ধ হওয়ার পথে। উপজেলা ঘুরে অনেক খামার বন্ধ অবস্থায় দেখা যায়। খামারীরা জানিয়েছেন প্রতিটি মুরগীর বাচ্চা ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এরপর সেগুলো লালন পালন করার জন্য খাদ্য এবং চিকিৎসা খরচ যোগ করে ব্রয়লার মুরগীর উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে।

তাছাড়া একটু প্রতিক’ল আবহাওয়া হলেই অনেক মুরগী মারাও যায়। প্রতিটি দুই আড়াই কেজি ওজনের মুরগী বড় করতে তিনশ টাকা খরচ হয়ে যায়। এতে সাধারণভাবেই প্রতি কেজি মুরগী উৎপাদনেই একশ ত্রিশ টাকার মত পরে। কিন্তু মুরগীর ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি কেজি মুরগী বিক্রি করতে হচ্ছে একশ দশ টাকায়। এতে উৎপাদন খরচ ওঠা দূরে থাক ঘরভাড়া বাদেই কেজিতে বিশ-পঁচিশ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এদিকে সরাসরি ক্রেতাদের কাছে মাইকিং করে মুরগী বিক্রি করাতে বিক্রি বৃদ্ধির পাশাপাশি কিছুটা লোকসান কমানো সম্ভব হচ্ছে। বাজারের তুলনায় দামে কিছুটা কম হওয়ায় ক্রেতাদেরও এখান থেকে মুরগী কিনতে আগ্রহ দেখা গেছে।

বেড়ার হাটুরিয়া গ্রামের পোল্ট্রি ব্যবসায়ী জানান,তার খামারে পাঁচশ মুরগী ছিল। বিক্রি শেষে হিসাব করে দেখেছেন তার পঁচিশ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। তিনিই প্রথম মাইকিং করে মুরগী বিক্রি শুরু করেছেন। পরে অনেক খামারীই এই পদ্ধতিতে মুরগী বিক্রি করেছেন। সরেজমিন ঘুরে উপজেলার অনেক খামার শূন্য অবস্থায় পরে থাকতে দেখা গেছে।