মেইন ম্যেনু

পায়ু পথে গরম রড ঢুকিয়ে চিকিৎসা, যুবক হাসপাতালে

চাঁদপুর শহরের বাগাদীতে এক যুবককে অর্শ্ব ও পাইলস চিকিৎসার নামে পায়ু পথে গরম রড ঢুকিয়ে ভুয়া চিকিৎসা করায় এখন হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ শহরের ঘোষ পাড়ার ভুয়া চিকিৎসক লিটন সরকারকে আটক করেছে।

বুধবার রাতে মডেল থানা পুলিশ তাকে শহরের বিপণীবাগ এলাকা থেকে আটক করেছে। ভুয়া চিকিৎসার শিকার সদর উপজেলার ৮নং বাগাদী ইউনিয়নের সেলিম মাল ওরফে দুদুর ছেলে মাসুদ মাল (৩২)। সে গত ২ মাস পূর্বে পাইলস রোগের চিকিৎসা নিতে লিটন সরকারের কাছে যায়। মাসুদ মালের অবস্থার অবনতির কথা জানালে ভুয়া চিকিৎসক লিটন সরকার তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। পরে মাসুদ মালের পিতা সেলিম মাল (দুদু) চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

তার বাবা সেলিম মাল জানায়, লিটন সরকার অর্শ্ব, পাইলস ও পিষ্টুলা নির্মূল করে দিবে বলে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। পায়ু পথে পাইলসের অযুহাত দিয়ে ভুয়া চিকিৎসক লিটনের তৈরি গাছ-গাছরা বানানো মলম লাগিয়ে গরম রড ঢুকিয়ে দিয়ে অপচিকিৎসা করে।

এতে করে যুবক মাসুদ মালের পায়ু পথে ক্ষত হয়ে যায়। এতে সে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে পারছিল না। পওে তার অবস্থার অবনিত দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাই। সেখানকার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মাসুদ মালের পায়ু পথ পরীক্ষা করে দেখতে পায় তার অর্শ্ব ও গেজ চিকিৎসার স্থানটি ইনফেকশন হয়ে গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলার মহামায়া বাজারের বাসিন্দা ভুয়া চিকিৎসক লিটন সরকার জানায়, ‘দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত এম.আর.পি সার্টিফিকেটের আলোকে এ চিকিৎসা করে যাচ্ছি।’

এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ জানান, বাগাদী ইউনিয় সেলিম মাল (দুদু) তার ছেলে মাসুদ মালকে অপচিকিৎসা করে পায়ু পথে গরম রড ঢুকিয়ে চিকিৎসা করায় তার অবস্থার অবনতি ঘটেছে। যার ফলে তিনি তার ছেলেকে ঢাকা চিকিৎসা করাচ্ছে। এ ব্যাপারে মডেল থানায় লিটন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।