মেইন ম্যেনু

পা ফাটা থেকে পরিত্রাণের উপায়!

চলছে শীতকাল। আর এ সময় পা ফাটে অনেকের। শীতকালে পা ফাটা সত্যিই অনেক সমস্যা। লজ্জায় পড়ে যেতে হয়। তাই এই পা ফাটা রুখতে আমরা অনেক কিছুই করি। কিন্তু রুখতে না পেরে শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে পড়ি। শীতের শুরুতেই যদি একটু সচেতন থাকি তাহলে পা ফাটা রোধ করে থাকতে পারি উজ্জল ও সুন্দর। আসুন জেনে নেই কিভাবে পা ফাটা রোধ করা যায়।

১. রাতে শোওয়ার আগে এক গামলা ঈষদুষ্ণ জল নিয়ে তাতে লেবুর রস, নুন, গ্লিসারিন আর গোলাপ জল মিশিয়ে মিনিট কুড়ি পা দুটো ভিজিয়ে রাখুন৷ তারপর পা তুলে পিউমিক স্টোন দিয়ে ভালো করে ঘষুন৷ মরা চামড়াগুলো উঠে আসবে। এরপর পা ধুয়ে, শুকনো করে মুছে গ্লিসারিন, লেবুর রস আর গোলাপ জল মিশিয়ে পায়ের ফাটা জায়গায় ভালো করে লাগিয়ে রাখুন। তারপর মোজা পরে শুয়ে পড়ুন৷পায়ে একটু চিটচিটেভাব লাগবেও কয়েকদিনের মধ্যেই উপকার পাবেন।

২. পিউমিক স্টোন দিয়ে পা ঘষার পর ভেজিটেবল অয়েল লাগিয়ে মোজা পরে শুলেও পা ফাটার সমস্যা কমবে। তবে কখনওই পিউমিক স্টোন দিয়ে জোরে ঘষবেন না। পা কেটে সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে।

৩) পাকা কলা চটকে পায়ের ফাটা অংশগুলোয় লাগিয়ে প্রায় মিনিট দশেক রেখে দিন। দশ মিনিট পর ধুয়ে নিন। চাইলে কলার সঙ্গে মেশাতে পারেন অ্যাভোকাডোও । এ দুটো উপাদানের মিশ্রণ পায়ে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এতে প্রচুর ভিটামিন ও এসেনসিয়াল অয়েল রয়েছে, যা পা ফাটা কমাতে দারুণ উপকারী।

৪) শুধু গরম জলে পা ভিজিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। তারপর পিউমিক স্টোন দিয়ে ঘষার পর এক টেবিলচামচ লেবুর রস আর খানিকটা ভেসলিন মিশিয়ে ভালো করে ঘষুন। এরপর পায়ে গলিয়ে নিন মোজা। উষ্ণতায় মিশ্রণটি ভালো কাজ করবে। আস্তে আস্তে কমে আসবে ফাটা পায়ের সমস্যা।

৫) এছাড়াও সরষের তেল বা নারকেল তেলের সঙ্গে মোম গলিয়ে লাগালেও উপকার মিলবে অচিরেই।

৬) গরম জলে যখন পা ডুবিয়ে রাখবেন, তাতে এক কাপ মধু মিশিয়ে পা ভেজালেও ডেডস্কিন নরম হয়ে উঠে আসবে সহজেই।

৭) পা ঘষার পর তুলোতে করে অল্প অলিভ অয়েল লাগালেও পায়ের উপকার হবে। আর ফাটা পা নিয়ে লোকসমাজেও আপনাকে আর লজ্জায় পড়তে হবে না।