মেইন ম্যেনু

পুতিনকে ‘দুর্নীতিবাজ’ বলেছে যুক্তরাষ্ট্র

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘দুর্নীতিবাজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ওবামা সরকার। গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের তদন্তকারীরা পুতিনই সাবেক রুশ গুপ্তচর আলেকজান্দারকে খুনের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে জানানোর পরই তাকে দুর্নীতিবাজ বলে আখ্যা দিল যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা এডাম সুবিন বলেছেন,পুতিনের নীতিমালার কারণে তার মিত্ররা ধনী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে এবং তিনি বিরোধীদের কোণঠাসা করতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করছেন। এই কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে মার্কিন বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি দেখভাল করে থাকেন।

রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সহযোগীদের উপরে ইতোমধ্যেই অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এবারই প্রথম সরাসরি পুতিনকেই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হল। বিবিসির এক অনুসন্ধানে এই তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন রাজস্ব বিভাগ।

এদিকে ওবামা প্রশাসনের এই অভিযোগকে পাত্তাই দিচ্ছে না মস্কো। এ সম্পর্কে পুতিনের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেছেন, ‘যে সব কথা বলা হচ্ছে তারা এগুলোর উত্তর দেয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন না। কেননা এর পুরোটাই কল্পকথা।’

বিবিসির ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, পুতিন যে ধরনের অভিজাত জীবন যাপন করেন তা কেবল অত্যন্ত ধনাঢ্য লোকের পক্ষেই তা সম্ভব। এমনকি রাশিয়ার বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিতে পুতিনের গোপন শেয়ার আছে বলে বিবিসি’র কাছে দাবি করেছেন এক রুশ সাংবাদিক।

স্টানিস্লা বেলকভস্কি নামের ওই রুশ সাংবাদিক বলেছেন, পুতিনের অন্তত ৪০ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি আছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে এটি নিশ্চিত যে ইউরোপের অন্যতম একজন ধনী ব্যক্তি পুতিন। তার ধারণা, সম্ভবত গোটা পৃথিবীর অন্যতম একজন ধনী ব্যক্তি এই রুশ প্রেসিডেন্ট।

২০০৭ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এক প্রতিবেদনে পুতিনের অঢেল সম্পদ আছে এমন দাবি করেছিলো।