মেইন ম্যেনু

এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে পুরস্কার ঘোষিত সেই ৪ জঙ্গি

২ মাস আগে ব্লগার-অ্যাক্টিভিস্ট হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৬ জঙ্গির ছবি প্রকাশ করেছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এদের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করা হলেও বাকি ৪ জন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। পুলিশ বলছে, তাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে। খুব দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে। তবে বাস্তবে এসব জঙ্গি ধরতে পুলিশের কোন তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। এর আগে গত ১৯ মে ব্লগার ও লেখক হত্যায় জড়িত সন্দেহে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটির) ৬ সদস্যের ছবিসহ তথ্য প্রকাশ করে ডিএমপি। তাদের ধরিয়ে দিতে ১৮ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়। এদের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করা হলেও বাকি ৪ জন এখনও পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। খবর জাগো নিউজের।

এবিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, ‘এঘটনায় দু’জনকে পাওয়া গেছে। তাদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। কামরাঙ্গীর চর থেকে আটক হওয়া এবিটির দুই সদস্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। বাকি জঙ্গিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিবি দক্ষিণের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গুলশানের আর্টিসান রেস্তোরাঁয় হামলার পর তাদের বেশ কয়েকটি ইউনিট এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কাজ করছে। তাদের ধরতে আপাতত কোন তোড়জোড় নেই বলেও জানান তিনি।

ডিএমপির পুরষ্কার ঘোষিত জঙ্গিরা হচ্ছে খুলনার শরীফ, উত্তরবঙ্গের সেলিম, সিলেটের সিফাত, কুমিল্লার সামাদ, চট্টগ্রামের সিহাব এবং সাজ্জাদ। এদের মধ্যে শরীফ ও সেলিমকে ধরিয়ে দিলে পাঁচ লাখ টাকা করে এবং বাকীদের জন্য দুই লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।

এদের মধ্যে গত ১৬ জুন জঙ্গি সুমন হোসেন পাটোয়ারি ওরফে সিহাবকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। সিহাব লালমাটিয়ার ‘শুদ্ধস্বর’এর প্রকাশক আহমেদ রশিদ টুটুল হত্যা চেষ্টার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল।

আরেক আসামি শরিফুল ঢাকার খিলগাঁওয়ে ডিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। শরিফুল জাগৃতি প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন, তেজগাঁওয়ে ওয়াশিকুর রহমান বাবু, সূত্রাপুরে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমউদ্দিন সামাদ এবং কলাবাগানে জুলহাজ মান্নান ও তনয় হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী। অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজেও শরীফের উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছিল ডিবি।

এছাড়া গত ১ জুলাই গুলশানের আর্টিসান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ ও ৬ জঙ্গিসহ মোট ২৮ জন নিহত হয়েছে। এই জঙ্গিদের সঙ্গে পুরষ্কার ঘোষিতদের কোন সম্পর্ক রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। তবে পূর্বঅভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায়, পুরষ্কার ঘোষিত জঙ্গিদের মোটিভ ভিন্ন।