মেইন ম্যেনু

পুরুষ সেজে প্রেমিকার সঙ্গে মিলন! অতঃপর…

প্রথম পরিচয় ফেসবুকে, তারপর প্রেম। তবে প্রেমের টানটা এতো বেশিই ছিল যে দেখা না করেই তারা ফোনেই দুই বছর চালিয়ে গেছেন ডেটিং। অবশেষে সেই মহেন্দ্রক্ষণ, সময় এলো একে অপরের সঙ্গে দেখা করার। তবে এতে একটা শর্ত বেধে দিলেন প্রেমিক। প্রেমিকাকে তিনি বললেন, তোমার আমার দেখা হবে চোখ বাঁধা অবস্থায়। গভীর প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া প্রেমিকা এতোও রাজি।

একসময় একে অপরের সামনে এলেন, কথাও হলো, এমনকি স্পর্শও হলো। কিন্তু চোখ ছিল কালো কাপড় দিয়ে বাঁধা। এভাবেই চলে তাদের প্রেমের দ্বিতীয় পর্ব। একে অপরের স্পর্শে এক সময় আরো কাছে আসার আকাঙ্ক্ষা জাগে। হয়ও তাই, তাও চোখ বাঁধা অবস্থায়। তারা নয়বার একে অপরের কাছে আসে। কিন্তু বিপত্তিটা বাধে দশবারের বেলায়। মিলনের সময় হঠাৎই চোখের কাপড় খুলে ফেলেছিলেন প্রেমিকা। আর তখনই বেরিয়ে আসে সত্যিটা। তার ‘প্রেমিক’ আসলে পুরুষ নয়, তার মতোই একজন নারী। এতোদিন ধরে কৃত্রিম পুরুষাঙ্গের সাহায্যে সে প্রেমিকার কাছে আসে।

ইংল্যান্ডের চেশায়ারারের উইলাস্টনে এ ঘটনাটি ঘটে। আর এমন একটি অপরাধের জন্য গেইল নিউল্যান্ড (২৫) নামে অভিযুক্ত ওই নারীকে আট বছরের কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছেন আদালত। গেইল নিউল্যান্ড আসলে একজন সমকামী।

জানা গেছে, ২০১১ সালে নিউল্যান্ড এক পুরুষের নামে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলেন। এরপর তিনি তার বান্ধবী ওই নারীর সঙ্গে কথা শুরু করে। ধীরে ধীরে ফোন নম্বর আদানপ্রদান এবং তার পরের দু’বছর টেলিফোনেই গলা ভারী করে পুরুষ কণ্ঠে প্রেম চালিয়ে গিয়েছিলেন নিউল্যান্ড। যা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি তার ‘প্রেমিকা’।

যদিও নিউল্যান্ড দাবি করেছেন, প্রথম থেকেই পুরো ঘটনাটি জানা ছিল তার বন্ধুর। এমনকী চোখ বাঁধার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি তার।

পুলিশি জেরায় গেইল নিউল্যান্ড জানিয়েছিলেন, তথাকথিত বিপরীত যৌন আকর্ষণ তাদের ছিল না। তাই এই পথ অবলম্বন করা হয়। যদিও আদালত তার এই দাবি খারিজ করে আট বছরের জন্য কারাগারে পাঠিয়েছেন।