মেইন ম্যেনু

পূর্বাচলের বেদখল জমি উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

কুড়িল-পূর্বাচল এলাকায় বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজটি যত কঠিনই হোক সঙ্গে তিনি থাকবেন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বলেছেন, ‘যারা এটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকবেন তারা যেন সাহস নিয়ে কাজটি করেন। সঙ্গে কেউ না থাকলেও মনে রাখবেন আপনাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সঙ্গে আছেন।’

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘কুড়িল পূর্বাচল লিংক রোডের উভয় পার্শ্বে (কুড়িল হতে বালু নদী পর্য়ন্ত) ১০০ ফুট চওড়া খাল খনন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

কুড়িল পূর্বাচল এলাকায় বেদখল হওয়া জমির তালিকা চেয়ে ঢাকার ডিসিকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেইসঙ্গে বিষয়টি সিএস খতিয়ান দেখে করার নির্দেশনাও দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে ৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটির চুড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। ভুমি দস্যুদের ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের যখন টাকার নেশা পেয়ে যায় তখন তারা আর অন্যদিকে তাকায় না। তারা কতো মানুষের জমি দখল করেছে। কতো মানুষকে কাঁদিয়েছে।’

বৈঠকে উপস্থিত একজন উর্ধতন কর্মকর্তা প্রকল্পটি বাস্তাবায়নে কঠিন হতে হবে জানালে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘যারা এটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকবেন তারা যেন সাহস নিয়ে কাজটি করেন। তাদের সঙ্গে কেউ না থাকলেও মনে রাখবেন আপনাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সঙ্গে আছেন।’

বৈঠকে প্রধামন্ত্রী বলেন, ‘আজকের ৩/৪টি পত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে এ প্রকল্প উচ্চাভিলাসী, অবাস্তব ও অহেতুক। এ খাল ১০০ নয় ৩০০ ফুট করার কথা ছিল। এসব নালা জমি ছিল। আমি স্পিডবোট নিয়েও ঘুরেছি।’

বৈঠকে প্রধামন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রত্যেক রাস্তার পাশে খাল ছিল। তা ভরাট করার কারণেই এখন পানি জমছে।’

এসময় তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, ‘নিকুঞ্জে ১০০ প্লটের একটা প্রকল্প বাতিল করে জলাধার করা হয়েছে। যে কারণে এখন বিমানবন্দরের রানওয়ে বৃষ্টিতে ডুবে না।’