মেইন ম্যেনু

পৌর নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি

পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে বইছে নির্বাচনী আমেজ। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার আগেই আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় থাকলেও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে কিছুটা সিদ্ধান্তহীনতা কাজ করছিল। তবে দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া দেশে ফেরার পর পৌরসভা নির্বাচনে দলের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করে।

এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলের কাছে সবুজ সংকেত পৌঁছে গেছে বলে জানা গেছে। তবে আজ বুধবার রাতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিষ্কার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দুই মাসেরও বেশি সময় পর দেশে ফিরে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বিএনপি প্রধান পৌর নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

বুধবার রাতে পৌরসভা নির্বাচনসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে শীর্ষ নেতাদের ডেকেছেন খালেদা জিয়া। রাত ৮টার পরে তার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে চেয়ারপারসনকে শুভেচ্ছা জানাতে বিএনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা গুলশানের কার্যালয়ে যান। তারা ফুল দিয়ে খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।পরে তিনি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় চেয়ারপারসনকে দল পুনর্গঠনের তথ্য উপাত্তের পাশাপাশি পৌর নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর তালিকাও দেখানো হয়।

পরে খালেদা জিয়া বৃহস্পতিবার রাতে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানান বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যাওয়া বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মনোভাব দেখে নির্বাচনে না যাওয়ার কোনো কারণ দেখি না। তবে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ফাইনাল হবে। সেক্ষেত্রে দ্রুত তফসিল ঘোষণা, অল্প সময় দেয়া এবং নতুন করে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত আসবে।”

দলের অন্য একটি সূত্রের খবর বলছে, আজকের বৈঠকে খালেদা জিয়ার সবার মতামত নেবেন। পরে তিনি সিদ্ধান্ত দেবেন। তবে সময় কম থাকায় দ্রুত অবস্থান পরিষ্কার করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান বলেন, “নেতাকর্মীরা নির্বাচনে আগ্রহী। আমরাও নির্বাচনমূখী দল। তাই আশা করি এসব বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত হবে। এছাড়া সারাদেশে গণগ্রেপ্তারসহ সরকারের কূট কৌশলের পাল্টা কৌশল কী হবে তাও বিবেচনা করা হবে বলে মনে করি।”