মেইন ম্যেনু

পৌর নির্বাচনে রাউজানে ৬ মেয়র প্রার্থী

চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভা নির্বাচনে ৬ মেয়র প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও রিটানিং অফিসার কুল প্রদীপ চাকমার কাছে। আওয়ামী লীগের দলীয় মেয়র প্রার্থী দেবাশীষ পালিত নিজেই মেয়র পদে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়।

বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী কাজী আবদুল্লাহ আল হাসনের মনোয়নয়ন পত্র জমা দেয় তার পক্ষে আইনজীবি আশরাফুল হক। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্দ্র মেয়র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দেয় রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, তরুন আওয়ামী লীগ নেতা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরীর পত্র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা।

রাউজান পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য ব্যবসায়ী স্বপন দাশ গুপ্ত, রাউজান উপজেলা শান্তিরদ্বীপ কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান মনসুর আলম। রাউজান পৌরসভার নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ড থেকে ১৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেয়।

তারা হলেন ১নং ওয়র্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আলমগীর আলী, ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর বশির উদ্দিন খাঁন ৩নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম চৌধুরী, কাজী ইকবাল ৪নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শওকত হাসান চৌধুরী, ৫নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর শামীমুল ইসলাম চৌধুরী সামু, সাবেক কাউন্সিলর জানে আলম জনি, ৬নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর এডভোকেট সমীর দাশ গুপ্ত, ৭নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আজাদ হোসেন।

৮নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এস.এম আসাদ উল্লাহ্, হাসান মোঃ রাসেল, এডভোকেট দিলিপ কুমার চৌধুরী, ৯নং ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর জমির উদ্দিন পারভেজ। রাউজান পৌরসভার ৩টি সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকেপাচঁজন মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেয়। তারা হলেন ১, ২, ৩নং ওয়ার্ড থেকে বর্তমান কাউন্সিলর শাহানাজ আকতার, নসিমা আকতার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড থেকে বর্তমান কাউন্সিলর কামরুন নাহার, সাবেক কাউন্সিলর জেবুন্নেছা, ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ড থেকে বর্তমান কাউন্সিলর জান্নাতুল ফেরদৌস ডলি।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্টিত রাউজান পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র কাউন্সিলরদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। এদিকে রাউজান পৌরসভার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মেয়র পদ থেকে বঞ্চিত রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ১৯৯৮ সালে রাউজান পৌরসভা প্রতিষ্টিত হওয়ার পর আমি রাউজান পৌর প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব পালন করি।

পরবর্তী রাউজান রাউজান পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়ে রাউজান পৌরসভাকে ২য় গ্রেডের পৌরসভায় রুপান্তরিত করেছি। গত নির্বাচনে আমি দলীয় একাধিক প্রার্থীর কারনে পরাজিত হয়েছি। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিক সম্মেলনে আরো বলেন, আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গিয়ে আমার সব সহায় সম্পত্তি হারিয়েছি। আমার ব্যবসা প্রতিষ্টান আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

গত কয়েক বৎসর আওয়ামী লীগের দলীয় মেয়র প্রার্থী যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তাকে রাউজানে দেখা যায়নি। রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা আমাকে সর্মথন দেওয়ায় আমি রাউজান পৌরষভার মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলাম আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। তৃণমুল পর্যায়ের নেতাদের সর্মথকে উপেক্ষা করে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া না হলে ও আমি দলের সিদ্বান্ত মেনে নিয়েছি।

এলাকার জনগনের কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। রাউজান পৌরসভার মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত রাউচান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চৌধুরী গতকাল বৃহসপতিবার বিকালে রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যলয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবন্দ্ব উপস্থিত ছিলেন।

রাউজান পৌরসভার নির্বাচনে গত ৩ নভেম্বর মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার দিনে রাউজান উপজেলা পরিষদ কার্যলয় পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। শান্তিপুর্ণভাবে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন পত্র জমা দেয় বলে রিটানিয় অফিসার কুল প্রদীপ চাকমা জানান। রাউজান পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের পাচঁ চল্লিশ হাজার চুরা নব্বই নারী পুরুষ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচিত করবেন।