মেইন ম্যেনু

প্রকাশক টুটুল হত্যাচেষ্টায় সিহাবের স্বীকারোক্তি

প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশিদ টুটুল হত্যাচেষ্টার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সুমন হোসেন পাটোয়ারি ওরফে সিহাব।

মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম আহসান হাবিবের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় এ জবানবন্দি দেন সিহাব।

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য সুমন হোসেন পাটোয়ারি ওরফে সাকিব ওরফে সিহাব ওরফে সাইফুল আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক। তিনি এ ঘটনার সাথে সরাসরি যুক্ত বলে আদালতে স্বীকার করেছেন।

আদালতের জেনারেল রেকর্ডিং অফিসার (জিআরও) কুতুব উদ্দিন জানান, বিকেল ৩টায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক বাহাউদ্দিন আসামি সিহাবকে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ শেষে শিহাবকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

জবানবন্দিতে সাকিব ওরফে সিহাব ওরফে সাইফুল বলেন, এইচএসসি পাস করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিনি চাকরি করতেন। পরে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগ দেন। দেড় মাসের সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে টুটুল হত্যার মিশনে অংশ নেন।

স্বীকারোক্তিতে সিহাব বলেন, এক বড় ভাইয়ের নির্দেশে তাঁরা এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা করেছিলেন। অনেকদিন ধরে তারা লালমাটিয়ার শুদ্ধস্বরের অফিসটি রেকি করছিলেন।

গত ১৬ জুন সিহাবকে পাঁচদিনের রিমান্ডে পাঠায় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম লুৎফর রহমান শিশির।

গত ১৩ জুন কামরাঙ্গীরচর এলাকা থেকে সৈয়দ মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম সোলায়মানী ওরফে আরাফাতকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিহাবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর লালমাটিয়ার শুদ্ধস্বর প্রকাশনার অফিসে প্রকাশক আহমেদুর রশিদ টুটুলের ওপর হামলা চালায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলাটিম। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুরে একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়।

এর আগে গত ১৯ মে সিহাবসহ ছয়জনকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১৮ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ ঘোষণার ২৫ দিনের মাথায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।