মেইন ম্যেনু

প্রচন্ড শীতে কক্সবাজারের জনজীবনে স্থবিরতা, বেড়েছে ঠান্ডা রোগের প্রাদুর্ভাব

প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস ও কনকনে শীতে কক্সবাজারের জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে ভিড় বাড়ছে সব বয়সের রোগীদের। তবে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে শিশু রোগীদের। শিশুদের ঠান্ডা থেকে দুরে রাখা এবং এ নিয়ে চিন্তিত না হয়ে, সঠিক চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
ঠাণ্ডার কারণে রাস্তাঘাটে লোকজনের আনাগোনা কমে গেছে অনেকাংশে। এতে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ।
মাঘের শীতল সকাল। হঠাৎ করেই শীতের প্রকোপ। চকরিয়া, পেকুয়া, রামু, টেকনাফ, কক্সবাজার সদরসহ বিভিন্ন এলাকা ঢেকে দিয়েছে হিমেল হাওয়ার ছাদরে। মাঘের সকালের হঠাৎ এই ঠান্ডা হাওয়া খেটে খাওয়া মানুষের কাছে কষ্টের হলেও কেউ কেউ বলছেন ভিন্ন কথা। হঠাৎ এই ঠান্ডার জন্য দায়ী সাইবেরিয়া থেকে আসা শিতল বাতাস উল্লেখ করে আবহাওয়া অফিস বলছে কক্সবাজার জেলার কিছু কিছু এলাকায় তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৮ ডিগ্রীর নিচে।
এছাড়াও এ বছর শীতের তীব্রতা অন্যান্য বছরের চেয়েও একটু কম হলেও হঠাৎ শীতের তিব্রতায় ঠান্ডা জনিত রোগের প্রাদুরভাব বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। রোগিদের মধ্যে অধিকাংশ শিশু। তারা জ্বর, সর্দি, কাশির সমস্যা নিয়ে হাসপাতাল গুলোতে ভিড় করছে।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, এখন অবশ্য ঠান্ডা জনিত রোগের প্রকোপ চলছে। এ সময়টাতে সর্দি, জ্বর, কাশি সহ ভাইরাজ জনিত রোগের প্রদুর্ভাব বেশী থাকে। এ অসুখ গুলো নিয়ে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভিড় করছে রোগিরা। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছি এবং পরবর্তী করণীয় বিষয়েও পরামর্শ দিচ্ছি।
এদিকে জেলার ৮টি উপজেলায় শীতের তীব্রতা বাড়ছে। আর হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। কাজ করতে না পেরে বিপাকে রয়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
কেউ কেউ আগুনের উষ্ণতায় শীত নিবারণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। সকাল ৮টায় কক্সবাজরে সর্বনিম্ন ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।