মেইন ম্যেনু

প্রতিদিন এই ৮টি খাবার কাঁচা খেলে মৃত্যুও হতে পারে

আলু খেয়ে কেউ অসুস্থ হয়েছেন, এমন কথা শুনলে লোকে বলবে পাগলের প্রলাপ। তবে যে সব আলু দীর্ঘদিন ফেলে রাখা হয়েছে এবং সবুজ হয়ে গিয়েছে, তাতে গ্লাইকোলক্যালয়েড নামে একটি বিষাক্ত পদার্থ থাকে। অতএব, সাবধান থাকাই ভাল।

আপেলের বীজে খুব অল্প পরিমাণে হলেও সায়ানাইড থাকে। অতএব, সাবধান।

আমন্ড— কাঁচা আমন্ডে বিপুল পরিমাণ সায়ানাইড থাকে।

জায়ফল— জায়ফলে বিষ! ঘটনা হল, ৫ গ্রামের বেশি জায়ফল খেলে খিঁচুনি আসতে পারে। ৮ গ্রাম বা তার বেশি খেলে বিপদ কিন্তু মারাত্মক।

রেড়ির তেলের কথা অনেকে শুনেছেন। ছোটবেলায় অনেককে জোর করে গিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রেড়ির বীজ? এতে থাকে রিসিন নামে রাসায়নিক। একটি খেলে মানুষ আর চারটি খেলে ঘোড়ার অন্তিম শ্বাস বেরিয়ে আসতে পারে।

বিষাক্ত আইভি গাছ বা পয়জন ওক-এ একধরনের বিষ পাওয়া যায়। তার রাসায়নিক নাম উরুসিয়ল। এই বিষটি প্রাণঘাতী। কাঁচা কাজুতেও এই বস্তুটি থাকে।

কাসাভা (এক ধরনের কচু)— বাজারে আকছার দেখতে পাবেন। একসময়ে আফ্রিকার একটি বড় অংশে প্রধান খাবার ছিল এটিই। কী থাকে এতে? সায়ানাইড। বাকিটা আশা করা যায় বলতে হবে না।

রাজমা— কাঁচা রাজমায় সায়ানাইড থাকে। সেটি পেটে গেলে কী হতে পারে নিশ্চয়ই ধারণা রয়েছে? আমরা রান্না করে খাই বলে কোনও ক্ষতি হয় না।