মেইন ম্যেনু

প্রথমবার ‘গোল্ডেন লায়ন’ গেল ভেনিজুয়েলায়

বিশ্বের সকল সিনেমা ক্রিটিকদের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ‘গোল্ডেন লায়ন’ ঘোষণার মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো ‘ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৫’-এর ৭২তম আসরের। বিশ্বের প্রাচীন ও জৌলুসময় চলচ্চিত্র উৎসব ‘ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভাল’, আর এই আসরের সবচেয়ে গৌরবান্বিত পুরস্কারে নাম ‘গোল্ডেন লায়ন’। এই পুরস্কারটি কে পেতে যাচ্ছেন, সারা বিশ্বে এ বিষয়টি নিয়ে চলছিল নানান জল্পনা। কিন্তু সবার ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়ে এবার প্রথমবারের মত ‘গোল্ডেন লায়ন’ গেল লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলায়!

গোল্ডেন লায়নের জন্য মূল পর্বে অংশ নিয়েছিল বিশ্বের নামিদামি নির্মাতার মোট ২১টি ছবি। যার মধ্যে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনিজুয়েলা লুরেঞ্জু ভিগাসের উপর ভর করে প্রথমবার নিজেদের হাতবন্দি করলো ‘গোল্ডেন লায়ন’। যদিও ফিল্ম ক্রিটিকদের মতে ‘গোল্ডেন লায়ন’ জেতার দৌড়ে ২১টি ছবির মধ্যে এগিয়ে রেখেছিলেন ‘রবিন: দ্য লাস্ট ডে’, ইতালিয়ান নির্মাতা মার্কো বেলুচ্চিওর ‘ব্লাড অব মাই ব্লাড’ এবং চার্লি কাউফম্যানের অ্যানিমেশন মুভি ‘অ্যানোমালিসা’। এছাড়াও ‘ডেনিশ গার্ল’ এবং ব্ল্যাকমমেস -এর সম্ভাবনাও দেখছিলেন কেউ কেউ। কিন্তু সব প্রেডিকশন মিথ্যে প্রমান করে ‘গোল্ডেন লায়ন’ জিতে নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নির্মাতা লরেঞ্জু।

জানা গেছে, বিশ্বের বাছাই করা মূল পর্বের মোট ২১টি ছবির মধ্যে প্রতিযোগিতা করে ভেনিজুয়েলার ছবি ‘ডেসডে এলা’র (ফ্রম এফার) জন্য প্রাচীন ফিল্ম ফেস্টিভাল ভেনিসের সর্বোচ্চ পুরস্কারটি জিতে নেন নির্মাতা লরেঞ্জু ভিগাস। ৭২তম ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালের জুরি বোর্ডের সদস্যরা ‘ফ্রম এফার’-এর জন্য তাকেই এবারের উপযুক্ত ব্যক্তি মনে করেন। ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে এবার জুরি বোর্ডে আলফনসো ক্যারনের নেতৃত্বে সাথে ছিলেন লেন রামসি, পাওয়েল পলিকস্কি, হু সিয়াও সিয়েন এবং নুরি বিলগে সেলনের মতন বিশ্ব খ্যাত নির্মাতারা।

উল্লেখ্য, প্রতি বছরের মত এবারো ইতালির ভেনিস নগরে ২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী ‘ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব’-এর ৭২ তম আসর। উৎসবে প্রধান পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন যথারীতি আলবার্তো বারবেরা। ‘গোল্ডেন লায়ন’ ঘোষণার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এক বছরের জন্য পর্দা নামল গুরুত্বপূর্ণ এই ফেস্টিভালের।

ভেনিস ফেস্টিভাল ২০১৫ এর পুরস্কার তালিকা:

গোল্ডেন লায়ন:
ফ্রম এফার, নির্মাতা: লরেঞ্জু ভিগাস

সিলভার লায়ন:
নির্মাতা: পাবলো ত্রাপেরো, দ্য ক্লেন

গ্রেন্ড জুরি প্রাইজ:
অ্যানোমালিসা, নির্মাতা: চার্লি কউফম্যান, ডুকে জনসন

ভল্পি কাপ, সেরা অভিনেতা:
ফেব্রিস লুসিনি, ছবি: এল’হারমাইন

ভল্পি কাপ, সেরা অভিনেত্রী:
ভ্যালেরিয়া গোলিনো, ছবি: পার আমোর ভস্ত্র

মার্সেলো অ্যাওয়ার্ড, নবীন অভিনেতা-অভিনেত্রী:
আব্রাহাম আতাহ, ছবি: বিস্ট অব নো নেশন

সেরা চিত্রনাট্য:
ক্রিস্টিয়ান ভিনসেন্ট, ছবি: এল’হারমাইন

বিশেষ জুরি প্রাইজ:
ফ্রেঞ্জে, নির্মাতা: এমিন এলপার

ভেনিস হরাইজনস:
সেরা ছবি:
ফ্রি ইন ডিপ, নির্মাতা: জ্যাক মহাফি

সেরা নির্মাতা:
ব্রেডি করবেট, দ্য চাইল্ডহুড অব এ লিডার

বিশেষ জুরি প্রাইজ:
নিওন বাল, নির্মাতা: গ্যাব্রিয়েল ম্যাসকারো

সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রীর জন্য বিশেষ প্রাইজ:
ডমিনিক লেবর্ন, টেমপেতে

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ ছবি:
বেলাদোনা, নির্মাতা: ডুব্রাবকা তুরিক

লায়ন অব দ্য ফিউচার- ভেনিস অ্যাওয়ার্ড, ডেব্যু ফিল্ম:
দ্য চাইল্ডহুড অব এ লিডার, নির্মাতা: ব্রেডি করবেট

ভেনিস ক্ল্যাসিক:
ছবির উপর সেরা ডকু:
দ্য থাউজেন্ড অব আইস ড.মাদিন, নির্মাতা: ইয়াবেস মন্তমায়ার

বেস্ট রেস্টুরেশন:
স্যালু, অর দ্য ওয়ানহান্ড্রেড ডেউস অব সোডম, নির্মাতা পায়ের পাওলো পাসোলিনি



(পরের সংবাদ) »