মেইন ম্যেনু

প্রথম প্রহরেই শহীদ মিনারে যেতে পারবেন খালেদা

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে প্রথম প্রহরেই যেতে পারবেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো শেষে তিনি শ্রদ্ধা জানাবেন।

এ লক্ষ্যে শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় গুলশানে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্দেশে রওনা হবেন বেগম জিয়া।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান শনিবার রাতে বাংলামেইলকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে দেখা করেন। উপাচার্য জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো শেষে বিএনপির চেয়ারপারসনকে একুশের প্রথম প্রহরেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ করে দেয়া হবে।’

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয় নিয়ে ঢাবির উপাচার্যের সঙ্গে তখন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন বিএনপির এই দুই নেতা। তবে বেগম জিয়া কার পরে শ্রদ্ধা জানাবেন বৈঠকে সে বিষয়টির সুরাহা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অমর একুশে উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির প্রধান ও ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক শুক্রবার বিকেলে বাংলামেইলকে বলেন, ‘বিএনপির নেতারা এসেছিলেন। কথা হয়েছে। শহীদ মিনারে বিএনপির চেয়ারপারসনের শ্রদ্ধা জানানো নিয়ে তারা যা বলতে চেয়েছেন সেটি আমরা ভেবে দেখছি।’

গত শুক্রবার ‍দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

এদিকে,শহীদ মিনারে চেয়ারপারসনের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ডিএমপি ও র‌্যাবের ডিজিসহ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে শুক্রবার চিঠি দিয়েছে বিএনপি। দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি ওইদিন রাতে বাংলামেইলকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শহীদ দিবসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন,‘দোয়েল চত্বর এলাকায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীবর্গ, কূটনৈতিকবৃন্দ ও ভিআইপি পারসনরা ফুল দিতে আসবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়েল চত্বর চানখাঁরপুল হয়ে চলে যাবেন। তারপর সর্বসাধরণের জন্য পলাশী চত্বর রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে খুলে দেয়া হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কারো যদি বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন হয় তাহলে আবেদন করতে হবে। আমরা মহানগর তদন্ত করে যদি মনে করি তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা দেবার প্রয়োজন রয়েছে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে আমরা সেটা অবশ্যই দেবো।’