মেইন ম্যেনু

প্রবীর সিকদারকে রিমান্ডে না দিয়ে প্রথম দিনেই জামিন দেয়া উচিৎ ছিল

সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের রিমান্ড মঞ্জুরে দুঃখ প্রকাশ করে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল বলেছেন, ‘তাকে তিনদিনের রিমান্ডে না দিয়ে প্রথম দিনেই জামিন দেয়া উচিৎ ছিল।’

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী পঙ্গু ব্যক্তির ক্ষেত্রে জামিন আবেদনের সঙ্গে সঙ্গে তাকে জামিন দেয়ার কথা। তবে যেভাবেই হোক প্রবীর সিকদারকে জামিন না দিয়ে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।’

সংবিধানের ৩১ ধারায় প্রত্যেকের আইনগত সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, গত রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্দিরা রোডের অনলাইন পত্রিকা উত্তরাধীকার ৭১ এর কার্যালয় থেকে প্রবীর সিকদারকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এরপর ভোরে তাকে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় নিয়ে যওয়া হয়। পরদিন সোমবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। ফেসবুকে এলজিআরডি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় সংক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট স্বপন পাল।

মঙ্গলবার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ প্রবীর সিকদারকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলি আদালতে হাজির করলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অবশ্য তিনদিন কারাভোগের পর বুধবার জামিনে মুক্তি পেয়ে কারাগার থেকে বের হন সাংবাদিক প্রবীর সিকদার। ওইদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরের ১নং আমলি আদালতের বিচারক হামিদুল ইসলাম পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।