মেইন ম্যেনু

প্রবেশ মুল্য ২০ টাকা, কিন্তু সঙ্গে নারী থাকলে ১২০!

– ভাই ৩টি টিকেট দেন।
আপনাদের সাথে কোন মেয়ে আছে।

-হ্যাঁ ভাই, একজন মেয়ে, দুজন ছেলে।
৩৬০ টাকা দেন।

-কেন? জনপ্রতি তো ২০ টাকা করে ৬০ কিন্তু ৩৬০ টাকা কেন?
আপনাদের সাথে মেয়ে আছে তো ১২০ টাকা করে।

-মেয়ে থাকলে ১২০ টাকা কেন?
এমনিতে নরমাল টিকিট ২০ টাকা মেয়ে থাকলে ১২০ টাকা করে।

-বুঝলাম কিন্তু কেন?
কেন’র উত্তর আমি দিতে পারব না, এটা উপরের অর্ডার। মেয়ে থাকলে ১২০ টাকা করে দিতে হবে।

-যদি না দিই তাহলে চলে যেতে হবে?
সেটাতো আমি জানিনা আপনি যাবেন কি থাকবেন!

কথোপকথনটি মঙ্গলবার বিকেলে চট্রগ্রামের সীতাকুন্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন ইকোপার্কের গেটে দায়িত্বরত ব্যক্তি ও এই প্রতিবেদকের মধ্যকার।

এই ইকোপার্কে পাহাড় আর সমুদ্র একসঙ্গে দেখতে পাওয়ার কারনে স্বাভাবিকভাবেই এ স্থান টানে ভ্রমণপিয়াসীদের। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কতৃপক্ষ চালু করেছে এই অদ্ভুত নিয়ম।

পরে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ঐ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিটি প্রতিবেদককে বলেন, ‘ভাই আপনারা ভিতরে যান আপনারা যেদিকে ইচ্ছে সেদিকে ঘুরতে পারবেন। এমনিতে নরমাল টিকিটের মূল্য ২০ টাকা যদি ইচ্ছে থাকে দেন না হলে ভিতরে চলে যান ঘুরে আসুন।’

পরে ভিতরে প্রবেশ করলে সেখানে ঘুরতে আসা মো. তুষার বলেন, ‘দেখুন আমরা সবাই ভার্সিটির ছাত্র/ছাত্রী। আমরা পরিচয় দেওয়ার পরও আমাদের কাছ থেকে ১২০ টাকা করে টিকিটের মূল্য দাবি করছে। যেখানে টিকিটের মূল্য শুধু ২০ টাকা। পরে দরদাম করে দুইটা টিকিট ১৫০ টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে।’

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন পার্কের ইজারাদার। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টা আমি পুরোপুরি জানিনা। আর এ ধরনের কেউ করে থাকলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব। এ ধরনের কাজ করলে তো সীতাকুন্ড ইকোপার্কের ভাবমূর্তি ক্ষ্মুন্ন হবে। আর আমাদের কাছে ইজারা থাকা অবস্থায় সীতাকুন্ড ইকোপার্কে আসা কোন পর্যটকের যাতে কোন সমস্যা না হয় সেব্যপারে আমরা সব সময় সজাগ আছি।’