মেইন ম্যেনু

প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ

মুসলমানদের দ্বারে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। এই আনন্দের দিন ধনী, গরিব ভেদাভেদ ভুলে ঈদের নামাজে এক কাতারে শামিল হয়।

আর এক দিন পরেই ত্যাগ ও কোরবানির সেই কাঙ্ক্ষিত দিন পবিত্র ঈদুল আজহা। জাতীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে দেশের প্রধান ঈদ জামাত।

ঈদুল আজহার নামাজের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হাইকোর্ট সংলগ্ন বিশাল এই জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ১ লাখ ২০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।

এখানেই দেশের রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্য, বিচারপতি ও কূটনীতিকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে এক কাতারে নামাজ আদায় করবেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঈদে জামাতের জন্য সুসজ্জিত করে প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স পিয়ারু সর্দার অ্যান্ড সন্স ডেকোরেটরের ম্যানেজার মোজাম্মেল হক বলেন, ‘প্রায় ২ লাখ ৫৯ হাজার বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট জাতীয় ঈদগাহ ময়দানটি প্রস্তুত করতে গত ১৮ দিন থেকে ১২০-১৩০ জন শ্রমিক কাজ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘পুরো মাঠে বাঁশ দিয়ে প্যান্ডেল ও ত্রিপল টানানোর কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্যান্ডেল তৈরির করতে ৪৩ হাজার বাঁশ লেগেছে।

বৃষ্টিতে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য ওপরে দেওয়া হয়েছে মোটা ত্রিপলের ছাউনি। পানি নিষ্কাশনের জন্য রাখা হয়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা। এক কথায় পুরোপুরি নামাজের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহকে।

জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক বিষয়গুলো দেখাশুনা করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। মুসল্লিদের সুবিধার্থে প্রায় ১ হাজারটি সিলিং ফ্যান ও ৪৬৪টি বাতি লাগানো হয়েছে। ঈদগাহ মাঠের পূর্বপাশে পানি ও অজুখানার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অজুখানায় একসঙ্গে ১৬০ জন নারী ও পুরুষ মুসল্লি অজু করতে পারবেন। ভিআইপি মুসল্লিদের জন্য টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির জন্য রয়েছে আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা।

জাতীয় ঈদগাহের দক্ষিণ পাশে নারীদের ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য পর্দা দিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৫ থেকে ৬ হাজার নারী এখানে নামাজ আদায় করতে পারবেন। কূটনৈতিক মিশনের সদস্য ও তাদের স্ত্রীদের নামাজের জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।ঈদগাহ ময়দানের চারপাশ জুড়ে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিসি ক্যামেরায় থাকবে সার্বক্ষনিক নজরদারি।