মেইন ম্যেনু

প্রাচীনকালে জন্মনিয়ন্ত্রণের এই অদ্ভুত নিয়মগুলি আপনি জানেনই না!

প্রাচীনকালে ছিল না কোনও কন্ডোম! কিন্তু তাও প্রাচীন মানুষ যৌন সংসর্গ করত। শুধু তা করা নয়, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বেশ ভাবনাচিন্তা করত প্রাচীন যুগের মানুষজন। আর এজন্যে সবরকম চেষ্টা করে যেত তারা। কিছু সময়ে সফল হত কিছু সময়ে না! তাও নানা সময়, নানা জায়গায়, নানা ভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছে মানুষ। আর এমনই অদ্ভুত কিছু জন্মনিয়ন্ত্রণের নজিরই তুলে ধরা হল আপনার জন্যে

১. চাঁদের দোষ!

গ্রীনল্যান্ডে মনে করা হত একজন মহিলারা গর্ভবতী হওয়ার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে চাঁদের। আর তাই গর্ভধারণ এড়াতে চাঁদকে এড়িয়ে চলত মহিলারা। তাকাতো না চাঁদের দিকে। এমনকি ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিজেদের পেটে থুতু লাগিয়ে নিত তারা। যাতে করে ঘুমের ভেতরেও চাঁদ কোন ধরনের ঝামেলা করে ফেলতে না পারে।

২. পারদের মিশ্রণ

প্রাচীনকালে চিনে গর্ভধারণ এড়াতে অদ্বূত এক পদ্ধতি অবলম্বন করা হত। আর সেটা হচ্ছে তেল আর পারদের মিশ্রণ পান করা। খালি পেটে মহিলাদেরকে অসময়ে গর্ভধারণ থেকে বাঁচার জন্যে এই মিশ্রণটি খেতে দিত। যদিও এখন আমরা জানি পারদ হাড় আর শরীরের জন্যে ঠিক কতটা ক্ষতিকর!

৩. জলপাই তেল

প্রাচীন গ্রীসে জলপাই তেল আর সিডারের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করত পুরুষেরা। কারণ, মনে করা হত এটি তাদের শুক্রাণুকে অনেক বেশি দূর্বল করে দেয়। ফলে সেটা নারীকে গর্ভবতী হওয়া থেকে বিরত রাখে। নিজের লেখাতেও এই মিশ্রণের কথা জানিয়েছেন এ্যারিষ্টটল।

৪. মধু

প্রাচীন মিশরে নারীর গর্ভধারন এড়াতে ব্যবহার করা হত মধু। তবে পুরুষ নয়, নারীরা ব্যবহার করত এটা। মনে করা হত মধুর প্রলেপ থাকলে পুরুষের শুক্রাণু নারীর ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না। ফলে জন্ম হবেনা কোন সন্তানেরও! বর্তমানে অবশ্য মধুর পরিবর্তে হানি ক্যাপ ব্যবহার করে অনেকে।

৫. নেকড়ের মূত্র

মধ্যযুগে বেশ ভালো রকমের অন্ধ বিশ্বাস ছিল সবার ভেতরে। বিশেষ করে ব্যাপারটা ওষধ নিয়ে হলে তো কথাই নেই! চিকিৎসার নানারকম ধরন ছিল তখন। আর তারই একটা অংশ হিসেবে সেসময় নারীদের অযাচিত গর্ভধারণ থেকে দূরে থাকতে যৌনমিলন করবার আগেই ঘরের বাইরে গিয়ে কোন নেকড়ের মূত্র ত্যাগ করার স্থানের ওপর মূত্র ত্যাগ করতে হত। কিংবা ঘুরে আসতে হত কোন গর্ভবতী নেকড়ের মূত্রত্যাগের স্থান থেকে!

৬. লাইসল

খুব বেশি দূর যেতে হবেনা। ১৯০০ এর প্রথমদিকের কথা। তখনো জন্মনিয়ন্ত্রণ বৈধ হয়নি আমেরিকায়। লাইসল নামের একটি পণ্য বের করা হয় বাজারে। যেটা কিনা নারী দেহের ভেতরে গিয়ে খানিকটা অংশ জ্বালিয়ে দেবে আর “ নিরাপদ “ ভাবে নিশ্চিত করবে জন্মনিয়ন্ত্রণ! তবে যতটা নিরাপদই বলা হোক না কেন, এটা ব্যবহার করতে গিয়ে আহত তো হনই, নিহতও হন প্রায় ৫ জন!