মেইন ম্যেনু

প্রাণে রক্ষা পেলেন এমপি কমলের ভাই রানা

সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের ছোট ভাই তানভীর সরওয়ার রানা।

শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইনানীস্থ আর্মি রেস্টহাউজ থেকে সেনাবাহিনীর এক অনুষ্ঠান শেষে কক্সবাজার শহরে ফেরার পথে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের সোনার পাড়াস্থ রেজু নদী ব্রিজের দক্ষিণে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা গোপন রাখা হলেও ২ দিন পর তা প্রকাশ পায়।

তানভীর সরওয়ার রানা রামু সেনানিবাসের জিওসি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সরওয়ার হাসানের প্রাইভেট কন্সালটেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন।

হামলার সংবাদ পেয়ে ইনানী আর্মি রেস্টহাউজ থেকে সেনা বাহিনীর একটি দল এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে এবং পরে কক্সবাজার সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোববার (১০ জানুয়ারি) রাতে কথা হয় কক্সবাজার সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তানভীর সরওয়ার রানার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ইনানীস্থ আর্মি রেস্টহাউজ থেকে অনুষ্ঠান শেষে মোটরসাইকেলে একা কক্সবাজার শহরে ফিরছিলাম। রেজু ব্রিজ এলাকার দক্ষিণে পৌঁছলে মোটরসাইকেল চলন্ত অবস্থায় হাতুড়ি দিয়ে আমার মাথার লক্ষ্য করে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা। মাথায় আঘাত লাগলেও আমি হেলমেট পরিহিত থাকায় রক্ষা পাই। আমি মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যাই। এ সময় ২/৩ জন দুর্বৃত্ত আমাকে হত্যার জন্য চেপে ধরে। এতে প্রাণপণ চেষ্টায় দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করি। কিছুদূর যাওয়ার পর ধারালো অস্ত্র নিয়ে আবারো ২/৩ জন দুর্বৃত্ত ঘিরে ফেলে। তারা পিছন দিক থেকে হাতুড়ি দিয়ে আমার কোমরে আঘাত করে। এরপরও কৌশলে নিজেকে আত্মরক্ষা করি।’

ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়ার কথা জানিয়ে রানা বলেন, ‘হামলার সময় আমার শোর-চিৎকারে পার্শ্ববর্তী চিংড়ি হ্যাচারি থেকে লোকজন বের হয়ে আসায় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় তারা আমাকে উদ্ধার করে হ্যাচারিতে নিয়ে যায়। বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিকভাবে রামু থানার ওসি ও রামু সেনানিবাসের জিওসিকে অবহিত করি। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে এসে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।’

তিনি জানান, হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালিয়েছে। হামলাকারীদের চিনতে পেরেছি। এ ঘটনায় চিকিৎসার কারণে মামলা করতে বিলম্ব হচ্ছে। সোমবার এ ব্যাপারে রামু থানায় মামলা দায়ের করা হবে।

রামু থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ কায়-কিসলু জানান, হামলার খবর তিনি শুনেছেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।