মেইন ম্যেনু

প্রিয় অন্তর্বাস হোক সুস্থতার সহায়ক

আপন জিনিসকে সব সময় মন দিয়ে নয় অবস্থান দিয়েও বিচার করা হয়। সে বিচারে অন্তর্বাস এক নম্বরে। শরীরের সবচেয়ে কাছে থাকায় এর জন্য চাই বাড়তি যত্ন। কারণ তার ভালো-খারাপের উপর নির্ভর করে আপনার সুস্থ থাকা। জীবানুমুক্ত আরামদায়ক অন্তর্বাস শারীরিক সুস্থতার সহায়ক হতে পারে। তাই জেনে নিন আপনার নিরাপত্তায় এসব জিনিসের সঠিক যত্ন সম্পর্কে।

কর্মব্যস্ত দিন শেষে বাসায় ফিরে কাপড় বদলাতে স্নানঘরে যেতেই হয়। এসময় প্রতিদিনই অন্তর্বাসটি খুলে ডিটারজেন্ট অথবা সাবান দিয়ে ধুয়ে নেয়ার অভ্যাস তৈরি হয়, তবে ক্ষতি কি? বরং ব্যবহৃত অন্তর্বাসটি প্রতিদিনই পাচ্ছেন জীবানু মুক্ত এবং পরিষ্কার। এক্ষেত্রে অন্তর্বাসের ইলাস্টিক ভালো রাখতে আপনাকে অবশ্যই এ্যালকোহল মুক্ত ডিটারজেন্ট ব্যবহার করতে হবে। মাঝে মাঝে অন্তর্বাস ধোয়ার কাজে গরম পানি ব্যাবহার করতে হবে, তবে বেশি নয়, মৃদু গরম।

প্রতি ছয় মাসে নিয়মিত ব্যবহারের অন্তর্বাসটি বদলে নেয়া শরীরের জন্য আবশ্যক। একাধারে ব্যবহারে এতে লেগে থাকা জীবানু শরীরে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। অনেক সময় চুলকানি ,ফুসকুড়ি বা চামড়া ছিলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তাই কেনার সময় অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ড এবং আরামদায়ক দেখে কেনা ভালো।

এক্ষেত্রে ছেলেদের সমস্যা একটু বেশিই হয়। সারাদিন পুরু কাপড়ের প্যান্ট পরে থাকায় শরীর ঘেমে জীবানুর আক্রমণ বেশি হয়।

নিয়ম করে সপ্তাহে একবার অন্তত গরম পানি সঙ্গে জীবানু নাশক দিয়ে এসব কাপড় ধুয়ে নিন। উজ্জ্বল রোদে শুকাতে পারলে বেশি ভালো।

ঘরে থাকা কোনো পোকামাকড় যেন প্রিয় অন্তর্বাসের ওপর চলাফেরা না করে। মাকড়সার জাল, তেলাপোকার বাসা বাধা জায়গায় এসব কাপড় ভুলেও রাখা যাবে না। ঘরের মাকড়সা, তেলাপোকা বা ইদুরের ছড়ানো জীবানু হতে পারে আপনার বড় ধরনের সমস্যার কারণ।

একাধিক অন্তর্বাস ব্যবহার করাই বেশি ভালো। এক্ষেত্রে পাতলা, আরামদায়ক এবং হালকা রঙ ব্যবহার করা স্বাস্থের জন্য উপকারী। অপরদিকে গাঢ় রঙে গরম ধরে রাখে দীর্ঘক্ষণ। যা অন্যান্য রোগসহ ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।