মেইন ম্যেনু

প্রেগন্যান্ট কর্মজীবী নারীদের জন্য কিছু টিপস

প্রেগন্যান্ট নারীদের জন্য বাহিরে কাজ করাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। প্রেগনেন্সি এমন একটি সময় যখন আপনার শরীর আপনার আনুগত্য করবেনা বরং আপনাকেই শরীরের কথা শুনতে হবে। তবে প্রেগনেন্সি যেহেতু কোন অসুখ নয় তাই এই সময়ে আপনি স্বাভাবিক সব কাজই করতে পারেন এবং অফিসের কাজও করতে পারেন। প্রেগন্যান্ট কর্মজীবী নারীদের বাহিরের কাজ ভালোভাবে করার জন্য কিছু টিপস জেনে নিই চলুন।

১। কর্মক্ষেত্রে কিছুটা স্ট্রেস থাকাটা স্বাভাবিক তারপরও চেষ্টা করুন আপনার স্ট্রেসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে। জীবনের একটি সুন্দর সময় পার করছেন আপনি। আপনার ভেতরে যে ছোট্ট শিশুটি বেড়ে উঠছে তার কথা ভেবে সকল নেতিবাচক চিন্তাকে দূরে রাখুন।

২। কর্মস্থলে যাওয়ার সময় ঘরে তৈরি খাবার নিয়ে যান। এই সময়ে বাহিরের খাবার খাওয়া উচিৎ নয়। কারণ প্রেগনেন্সির সময়ে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল থাকে এবং আপনি খুব সহজেই ইনফেকশনে আক্রান্ত হতে পারেন।

৩। কাজের ফাঁকে বিরতি নিন। নিজের চেয়ার ছেড়ে একটু হেঁটে আসুন। প্রতি ২ ঘন্টা পর পর খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৪। সচেতন ভাবেই সোজা হয়ে বসার চেষ্টা করুন। বসার ভঙ্গি স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব বিস্তার করে। যদি আপনার পা ফুলে যায় তাহলে একটি ছোট টুলের উপর পা রাখার চেষ্টা করুন।

৫। সিঁড়ি দিয়ে না উঠে লিফট ব্যবহার করুন। কারণ প্রেগন্যান্ট অবস্থায় শরীরে চাপ পড়ে এমন ব্যায়াম করা উচিৎ নয়।

৬। ক্যাফেইন এবং নিকোটিন উভয়েই গর্ভস্থ শিশুর জন্য ক্ষতিকর। তাই চেষ্টা করুন এগুলোকে বাদ দেয়ার।

৭। সুপার ওমেন হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। আপনি কাজ করতে পারছেন এটাই বড় কথা। এই সময়ে আপনার শরীর দুর্বল থাকতে পারে বলে আপনার বিশ্রাম নেয়া প্রয়োজন। নিজেকে প্রমাণ করার জন্য অনেক বেশি কাজ করার প্রয়োজন নেই আপনার। কাজে বিরতি দিয়ে বিশ্রাম নেয়ার চেষ্টা করুন।

৮। শরীরে ঝাঁকুনি লাগে এমন যানবাহনে চড়া ঠিক নয়। ঝাঁকুনির ফলে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হতে পারে। খুব বেশি উঁচু নিচু রাস্তা দিয়ে না যেয়ে সমান রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করুন।

৯। প্রচুর পানি পান করুন। হাইড্রেটেড থাকলে বমি বমি ভাব ও পেট ফাঁপা দূর হতে সাহায্য করে।

১০। ভারী কিছু উঠাবেন না। বড় একটি বক্সকে একবারে না উঠিয়ে ৩-৪ টি ছোট ছোট বক্সে নিয়ে তারপর উত্তোলন করূন। প্রয়োজনে কারো সাহায্য নিন।