মেইন ম্যেনু

প্রেম কি জিনিস? খায় নাকি মাথায় দেয়?

আসলেই প্রেম খায় নাকি মাথায় দেয় ?
প্রেম হল দুইজনের মধ্যকার দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান আদান-প্রদান যেখানে তারা তাদের বিনিময় মূল্য বিচার করে “চলমান বাজারের শ্রেষ্ঠ জিনিষটা” পেয়েছে বলে নিজেকে আশ্বস্ত করে। আর এইটা ফুলফিল্ড হলেই রসায়ন জিনিষটা আরও সহজ হয়ে যায়।

এটাই প্রথম বাস্তবতা – প্রেম করতে হলে এটা বলবনা যে প্রথমেই সবাইকে ভবিষ্যত সকল সম্ভবনা বিবেচনা করতে হয় বরং সবাই এটাই করে :p । আর যেখানে সামাজিক মান-মর্যাদার মাপকাঠি টাকা-পয়সা সেখানে প্রেম স্বভাবতই অন্যান্য “পন্যদ্রব্য” আর “শ্রমবাজারকে” অনুসরন করে।

দ্বিতীয় বাস্তবতা হল, প্রেম করা খুবই সহজ। যদিও এতে কিছুটা পক্ষপাতিত্ব আছে কিন্তু যারা প্রেম করে সবাই এটাতেই আত্ববিশ্বাসী। এক্ষেত্রে আমার মনের সব থেকে বিস্ময়কর বস্তুটি হইল – বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যে কোন ছেলে কিংবা মেয়ে সবসময়ই প্রেমে এক্সপেরিয়েঞ্চড (আই মিন “লুজ ক্যারেক্টার”) সঙ্গি/সঙ্গিনী কে প্রাইওরিটি দেয় । কিন্তু বাস্তবতার মধ্যকার বাস্তবতা হল- উল্লেখিত এক্সপেরিয়েঞ্চড (আই মিন “লুজ ক্যারেক্টার”) সঙ্গি/সঙ্গিনী রা নিজেদের এমন ভাবে উপস্থাপন (চাম-বাজিঃঃ ছেলেদের ক্ষেত্রে / ভাজা মাছ উল্টাই খেতে না পারা + ক্যালসিয়াম অক্সাইড মাখাঃঃ মেয়েদের ক্ষেত্রে ) করতে সক্ষম হয় যে হি/সি ইজ টোটালি ভার্জিন । লক্ষ্য করুন- এখানেও ঠিক যেন পন্যবাজারে নিজের এডভার্টাইজমেন্ট চলছে। সাথে সাথে প্রেম ব্যাপারটা উভয়ের কাছে প্রতিনিয়ত অনুশীলনের দ্বারা ক্রমে আরও সহজতর হচ্ছে। আর গালে হাত দিয়ে বসে থাকছে “ভালো ছেলেটা” / “সচেতন শ্যামলা মেয়েটা” । কিন্তু এখানেই একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল কখনো কখনো এই “ভালো ছেলেটা” ওই ভালো “সচেতন (শ্যামলা) মেয়েটা” কে যেমন পছন্দ করতে চায়না ঠিক তেমনি এই “সচেতন শ্যামলা মেয়েটা” ওই “ভালো ছেলেটা” কে “হাবলা” আখ্যা দিয়ে তার ধার ঘেষতেই চায়না।

প্রেম কে অনেক কাছের মানুষগুলোর থেকে দেখছি, শুনেছিও। বাট যা কিছু বুঝেছি – “ইটস রিয়েলী এ টেরিবল থিং”।

যাই হোক, আমার শ্রদ্ধেয় কোন এক বড় ভাইয়ের কথাটা এমন ছিল (ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি তাকে না বলে লেখার জন্য)- “ইফ ইউর ফাদার ইজ পো-র, ইউ আনলাকী বাট ইফ ইউর ফাদার-ইন-ল ইজ পো-র ইউ ডাম্ব-এশ” । বাই দ্যা ওয়ে…… এভরিবডি ইজ অন দ্যা সেইম ট্র্যাক আইদার ডিরেক্টলি অর ইন্ডিরেক্টলি।

আল্টিমেট বাস্তবতা হল- প্রেমের এই প্রবৃত্তি সবারই থাকে এবং বেশিরভাগই সেটা বর্জন করতে পারেনা । আর যখন সে ব্যার্থ হয় তখনি সে ভালো হয়ে যায় (যদিও এক্সছেপশনাল ইজ নো মোর এক্সাম্পল লাইক মি :p :v )।যাই হোক সফল হওয়ার ইচ্ছা থাকলে ব্যার্থতার কারনগুলো অনুধাবন করে পুনঃচেস্টা করা উচিৎ। আমরা আসলেই কেওই প্রচলিত প্রেম বাজারের বাইরে যেতে পারিনা শুধু একেক জন একেক ভাবে এই বাজারে নিজেকে কেনা বেচা করি।

-তৌহিদ ইসলাম
(ইউ.আর.পি.ডি)
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়