মেইন ম্যেনু

প্রেম পাগল তরুণী বিয়ে করলেন না!

অন্ধ প্রেম আর কাকে বলে! ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ২১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার আদনান ইয়ানুজাইর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন ইংল্যান্ডের ২৪ বছর বয়সী এক তরুণী। বয়সে ছোট হলেও ইয়ানুজাইকে বিয়ে করতে চান তিনি। ইয়ানুজাইকে কখনও সরাসরি দেখেননি মাই আলেকজান্ডার।

কিন্তু তার কারণেই নিজের বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন তিনি। কয়েকবার আত্মহত্যাও করতে গেছেন। ২৪ বছর বয়সী মাইয়ের সেটফান হল নামের একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কিন্তু ইয়ানুজাইকে দেখার পর মাই তার সঙ্গে আর ভালো ব্যবহার করেন না। ২০১৩ সালের আগস্টে ম্যানইউর হয়ে অভিষেক হয় বেলজিয়ান মুসলিম স্ট্রাইকার ইয়ানুজাই’র। প্রথম দেখায় তার প্রেমে পড়ে যান মাই আলেকজান্ডার। এর পরই টুইটার ও ফেসবুকে ইয়ানুজাইকে অনুসরণ শুরু করেন। এ পর্যন্ত অনলাইনে হাজার ম্যাসেজ দিয়েছেন ইয়ানুজাইকে। কিন্তু বেচারি মাই কোনো উত্তর পাননি। এতে বাধ্য হয়ে হাতে লেখা শুরু করেছেন চিঠি।

সে চিঠির সংখ্যা ইতিমধ্যে ২০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ‘ডেইলি মেইল’। ইয়ানুজাই-এর সঙ্গে কোনোদিন দেখা হলে এই চিঠিগুলো তাকে দিবেন বলে মাই জানান। তিনি নিজেকে কল্পনায় ইয়ানুজাই-এর স্ত্রী হিসেবে দেখেন। এমন কি তাদের বিয়ের পর সন্তান হলে কী কী নাম রাখা হবে সেটাও ঠিক করে রেখেছেন মাই। তবে সবচেয়ে বড় পাগলামিটা করেন গত বছর।

ইয়ানুজাই-এর সম্পর্ক মডেল মেলিসা ম্যাকেনজির সঙ্গে। গত বছর তাদের প্রেমের কথাটি প্রথম মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। তাদের দুজনকে বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে ঘুরতে দেখা যায়। এই ঘটনা প্রকাশের পর মাই ভেঙ্গে পড়েন। ব্লেড দিয়ে নিজের হাত কেটে আত্মহত্যা করতে যান। তখন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় তারই প্রেমিক স্টেফান হল। মানসিক এ রোগের চিকিৎসা করানোর জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবার। কিন্তু কোনো কিছুতেই সে নেশা মাথা থেকে যায়নি।

বাধ্য হয়ে মেয়েটির পরিবার তার বিয়ের ব্যবস্থা করেন। প্রেমিক স্টেফানের সঙ্গে বিয়ের সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিয়ে করতে রাজি হননি মাই। সে বিয়ে ভেঙ্গে দেন তিনি। এরপর শুরু করেন নতুন প্রচেষ্টা। ইয়ানুজাই-এর প্রেমিকা মেলিসার চেহারার মতো নিজের চেহারা করার চেষ্টা করেন। নখ, চুল ও পোশাকে মেলিসাকে অনুকরণ শুরু করেন। এমন কি ইয়ানুজাই-এর প্রেমিকার মতো হতে ২ হাজার পাউন্ড খরচ করে ফেলেন। আর তরুণীর শেষ ইচ্ছাটা এভাবেই বললেন- ‘আমি শুধু তাকে (ইয়ানুজাই) একটু স্পর্শ করতে চাই। তার গায়ের শার্টটা ধরতে চাই। আমি তার সঙ্গে থাকতে চাই। আমি নিজেকে তার স্ত্রী কল্পনা করে তার বাড়িতে আছি বলে মনে করি। আমার সবকিছু তার জন্য। সুত্র-অনলাইন