মেইন ম্যেনু

প্রেসিডেন্ট যখন কর্মচারি!

আবদুল মাতলুব আহমাদ। দেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। সফল, গতিশীল ও কাজপ্রিয় মানুষটি ‘দেশের মিনি পার্লামেন্ট’ নামে খ্যাত এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সংগঠনের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছেন।

নতুন এই প্রেসিডেন্টের কার্যক্রম দেখে কর্মস্পৃহা বেড়েছে সংগঠনটির পরিচালক, সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের। ৩১ মে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আবদুল মাতলুব আহমাদ ও তার পরিচালকরা। এরপরের দিনই একটি জরুরী বোর্ডসভার আয়োজন করেন তিনি। যার এজেন্ডা ছিল এফবিসিসিআইয়ের সংস্কার।

নতুন কমিটির প্রথম বোর্ড সভার সংবাদ সংগ্রহের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সভাশেষে ফেডারেশন ভবন মিলনায়তনে চলে গেলেন বিশিষ্টি এই শিল্পপতি। টেবিল ও সংবাদকর্মীদের বসার চেয়ারগুলো ছিল একটু এলোমেলো।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ এই নেতা পুরো মিলনায়তনের চেয়ার-টেবিল নিজ হাতে গুছিয়েছেন। অন্যান্য নেতা ও সংগঠনটির সচিবালয়ের কর্মকর্তারা ছুটে আসেন। মাতলুব আহমাদের কাজে সহায়তা করার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ সহায়তা করার সুযোগ পেলেও অনেকেই তা পাননি। কারণ, তিনি একাই একশ!

এ সময় উপস্থিত কয়েকজন সদস্য বলে ওঠেন, এই না হলে প্রেসিডেন্ট! তিনি একজন যোগ্য নেতা, একজন ভালো কর্মচারিও বটে! এমন যোগ্য ও কর্মঠ নেতাই ব্যবসায়ী সমাজ চাইছিল। আমাদের (ব্যবসায়ীদের) চাওয়া-পাওয়া পূরণে তিনিই যথেষ্ট।

মিলতায়তের এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যাংকার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মামুনুর রশিদ। তিনি বলেন, ‘দলনেতার কাজ দেখে বেশ ভালোই লাগলো। এটাও একজন যোগ্য নেতার বৈশিষ্ট্য। তিনি পারবেন তার দলের সদস্যদের সক্রিয় রাখতে। পারবেন ব্যবসায়ী সমাজের স্বার্থ আদায় করতে।’

এফবিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সহসভাপতি ও ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘দুই দিনেই মাতলুব ভাই যে চমক দেখিয়েছন, তাতে আমারা আশান্বিত। নতুন সভাপতি ৫২ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদকে কাজে লাগাতে পারবেন। ব্যবসায়ী সমাজের নানা সমস্যা সমাধানে সঠিক ভূমিকা রাখতে পারবেন।

সদা হাস্যজ্জোল আবদুল মাতলুব আলাপচারিতায় বলেন, ‘এফবিসিসিআইকে একটি আন্তর্জাতিক মানের ব্যবসায়ী সংগঠনে রূপ দিতে পূর্ণ উদ্যমে কাজ করবো। ব্যবসায়ীদের স্বার্থে নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে দুই বছরের ছুটি নিয়েছি। এই দুটি বছরকে দেশের স্বার্থে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে উৎসর্গ করবো। এরমধ্যে ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংক ঋণে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনবো। এ ছাড়াও ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু করব।’রাইজিংবিডি