মেইন ম্যেনু

ফরিদপুরের ব্যস্ততম সোনালী ব্যাংক সড়কের বেহাল দশা

শহরের ঝিলটুলীতে অবস্থিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সোনালী ব্যাংক সড়কটির বেহাল দশার কারণে শহরবাসী চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জনসাধারনের। বারবার সংস্কারের নামে নামকাওয়াস্তে কর্তৃপক্ষ কিছু কাজ করা হলেও সড়কটি আবারও চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কটির প্রায় পুরো অংশ জুড়েই অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত ও খানাখন্দের মাঝে বৃষ্টির পানি জমে ভোগান্তি আরো বেড়েছে। এতে পায়ে হেটেও পথচলা কষ্টকর পথচারীদের জন্য। ফরিদপুরের সোনালী ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধান শাখা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসআই) অফিস, জেলা শিল্পকলা একাডেমী অবস্থিত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে। এছাড়া বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন ও বহুতল বিল্ডিংয়েও বসবাস করেন অসংখ্য মানুষ। ফরিদপুর পৌর মেয়রের বাসভবনও এই সড়কের পাশেই। সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখা অবস্থিত হওয়ায় এখানে চলাচল করতে হয় সরকারী বেতনভোগীসহ বিভিন্ন দফতরে কর্মরত চাকুরীদের। কিন্তু চলাচলের অনুপোযোগী সড়ক হওয়ায় সকলকেই দূর্ভোগ পোহাতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সর্বশেষ গত ২০ মার্চ সড়কটির কথিত সংস্কারের নামে কিছু কাজ করা হয়। তাদের অভিযোগ, সংস্কারের নামে আসলে ঠিকাদার আর কর্তৃপক্ষের লুটপাটই হয়েছে। কাজের কাজ হয়নি কিছুই। তাই ক’দিন না যেতেই আবারও সড়কটির প্রায় পুরো অংশ জুড়েই গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফরিদপুর পৌরসভায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে ২০১৩ ও ২০১৪ সালেও এই সড়কটিতে সংস্কারের নামে কাজ করা হয় দু’বার। কিন্তু এসব কাজ মানসম্মত ও টেকসই না হওয়ায় প্রতিবারই সংস্কারের পরপরই সড়কটি চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে ওঠে। সাইয়্যেদ আহম্মদ আলী নামে স্থানীয় একজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, সংস্কারের নামে শুধু বারবার লুটপাটই হয়েছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অথচ এই সড়কটি শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম। এব্যাপারে কর্তৃপক্ষের উচিত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। ফরিদপুর পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথু সড়কটি চলাচলের অনুপোযোগী হওয়ার অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, অতিবৃষ্টির ফলে সড়কটির বিভিন্নস্থানে গর্ত হয়ে গেছে। বৃষ্টি কমে এলে সড়কটি পূণ:সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হবে অতি দ্রুতার সহিত।