মেইন ম্যেনু

ফাইনালে ম্যাচ জেতাবেন যারা

এশিয়া কাপ টি-২০’র শিরোপা লড়াইয়ে সন্ধায় ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় থেকে মাত্র একধাপ দুরে দাঁড়িয়ে টাইগার বাহিনী। ফাইনালে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।

দুদলেই রয়েছেন ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা রাখা একাধিক খেলোয়াড়।

বাংলাদেশ

বাংলাদেশের হয়ে যারা ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারেন, ব্যাটিংয়ে তাদের মধ্যে প্রথমেই আসবে তামিম ইকবালের নাম। প্রথম সন্তানের জন্মের সময় স্ত্রী পাশে থাকায় টুর্নামেন্টের প্রথম কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি।

তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রায় ‘ফাইনালসম’ ম্যাচে দলে ফিরেছেন মারকুটে এই ওপেনার।

ফেরার ম্যাচে তেমন কিছু করতে না পারলেও মোহাম্মদ আমিরের বলে ফ্লিক করে নিজেদের শট খেলার সামর্থ ও সাহসের প্রমাণ দিয়ে রেখেছেন। তার উপর ভারতের বিপক্ষে খেলা হওয়ায় একটু এগিয়ে থাকবেন তামিম।

তামিমের সাথে জুটি বেধে ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখতে পারেন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকার। প্রথম দিকে ব্যাটে রান না পেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ৪৮ রান করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন সৌম্য। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ বড় ভরসা করবে সাব্বির রহমানের ওপর।

প্রথম চার ম্যাচে ১৪৪ রান করে রান সংগ্রাহকের তালিকায় বাংলাদেশিদের মধ্যে শীর্ষে তিনি। ব্যক্তিগত স্কোরারের দিক দিয়ে সাব্বির রয়েছেন তিনে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দল জিতিয়েছেন তিনি। আর সব মিলিয়ে সাব্বির রয়েছেন পাঁচ নম্বরে। এছাড়া মিডল অর্ডারে মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসানের পর দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেন মিস্টার ফিনিশার হয়ে উঠা মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে ম্যাচ জেতানোর ক্ষেত্রে কম যাবেন না বোলাররাও।

বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলিং আক্রমণ এখন বাংলাদেশের।

দলের প্রধান অস্ত্র মুস্তাফিজুর রহমান দলে না থাকায় একটু ব্যাকফুটে বাংলাদেশ। তবে চার ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়ে এশিয়া কাপের মূলপর্বের শীর্ষে রয়েছেন আল-আমিন হোসেন।

ইনিংসের শুরুতে বোলিংয়ে আগুন ঝরিয়ে প্রতিপক্ষ পোড়াতে পারেন তাসকিন আহমেদও। এছাড়া মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে দলের জয়ে ভূমিকা রাখবে সাকিবের ঘূর্ণিও।

ভারত

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ভারতের। তাদের রয়েছে অনেক বিকল্পও। বিশেষ ওপেনিংয়ে শিখর ধাওয়ান ও রোহিত শর্মার পর বিরাট কোহলি এদের যে কেউ যেকোনো সময় ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারেন। প্রথম দুটি ম্যাচে প্রায় একাই দলের জয় নিশ্চিত করেছেন কোহলি। দুই ম্যাচেই তুলে নিয়েচেন হাফসেঞ্চুরি। এর পর সুরেশ রায়না ও অধিনায়ক ধোনি তো রয়েছেনই। ব্যাট চালাতে পারেন অলরাউন্ডার পাণ্ডেও।

ভারতের বোলিংয়ের বড় শক্তি স্পিন। রবিচন্দন অশ্বিনের সঙ্গে আছেন রবীন্দ্র জাদেজা। তাদের সঙ্গ দেবেন সুরেশ রায়না হার্দিক পান্ডে, পবন নেগি ও অভিজ্ঞ হরভজন সিংহ।

ভারতের পেসাররাও ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারেন। নবাগত জাসপ্রিত বুমরাহ’র সঙ্গে রয়েছেন অভিজ্ঞ আশিশ নেহরা। দলে থাকলে ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন ভূবেনেশ্বর কুমারও।