মেইন ম্যেনু

ফাইনাল পরীক্ষায় প্রথম হলেই একবছর ফুচকা ফ্রি!

ফুচকা খায় না, এমন মানুষকে বোধ হয় অন্য গ্রহের প্রাণী বলেই মনে হতে পারে। এ শহরের ফুটপাথ মানেই ফুচকাওয়ালাদের চেনা ছবি। কেউ বলেন ফাটিয়ে ঝাল দিতে, কেউ আবার মিষ্টি ফুচকাতেই খুশি। ওইসব প্লেট ভরা পানি-পুরী বা গোলগাপ্পাতে আমাদের পোষায় না। শালপাতা থেকে মুখভরে ফুচকা খাওয়ার আনন্দই আলাদা। ফুচকাওয়ালার হাত পরিষ্কার কিনা, এসবন সতর্কবার্তার ধার ধারা হয়না কোনোদিনই।

তবে এর মধ্যেও বাছাবাছি আছে। কেউ পছন্দ করেন কলেজ স্ট্রিটের ফুচকা, কেউ আবার নামকরা কোনো দোকানের। কারো আবার পাড়ার মোড়ের দোকানের ফুচকা না খেলে রাতে ঘুমই আসে না। তবে আপনি শুনে অবাক হবেন যে আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতের কলকাতাতেই আছে এক ব্যতিক্রমী ফুচকাওয়ালা। যিনি আর পাঁচজনের থেকে অনেকটাই আলাদা।

কলকাতার আলিপুরের প্রবেশ পথে পানি পুরীর নাম শোনেননি অনেকেই। উডল্যান্ড হাই বিল্ডিং-এর পাশেই তার দোকান। এর দোকানে গেলে আপনি দেখতে পাবেন মিনারেল ওয়াটার। হ্যাঁ, এমন বিশুদ্ধ পানিই ব্যবহার করেন তিনি। সেখানেই শেষ নয়। তার দোকানে পাওয়া যায় মোট ১৭ রকমের ফুচকা। এত রকমের ফুচকা কলকাতার আর কোথাও পাবেন কিনা সন্দেহ।

শুধু শহরেই নয়, বিদেশেও ফুচকা তৈরি করে এসেছেন এই ফুচকাওয়ালা। বিয়েবাড়ির ক্যাটারিং-এর সদস্য হয়ে তিনি গিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাংকক সহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায়। শুধুমাত্র ফুচকাই তৈরি করেছেন সেখানে গিয়ে। ফুচকা খাওয়ানোর শেষে ফিডব্যাক চান তিনি। সবার দিকে এগিয়ে দেন টিস্যু পেপার। চাইকে এগিয়ে দেন ভিজিটিং কার্ডও। বছর ২০-র এই ফুচকাওয়ালা ২০০৭ থেকে এই পারিবারিক ব্যবসায় রয়েছেন।

আলিপুরের স্টেট ব্যাংক এলাকায় বেশ বিখ্যাত তিনি। কাছেই রয়েছে লক্ষীপাত সিংহানিয়া স্কুল। আর সেই স্কুলের ছাত্রদের জন্যও বিশেষ অফর রয়েছে তার কাছে। যে ছাত্র সেই স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষায় প্রথম হয়, তাকে একবছর বিনামূল্যে ফুচকা খেতে দেন তিনি।

যে ধরনের ফুচকা রয়েছে তাঁর দোকানে:

গুগনি ফুচকা
আলু দম ফুচকা
পকোড়ি ফুচকা
দই ফুচকা
বাতাটা ফুচকা
চকোলেট ফুচকা
ধোকলা ফুচকা
সেজোয়ান ফুচকা
বুলেট ফুচকা
দই পাপড়ি ফুচকা
চানা মশালা ফুচকা
চুরমুর ফুচকা
শুখা স্পেশাল ফুচকা
ওয়াটার মিক্স ফুচকা
টমাটো ফুচকা
ঘুগনি দই ফুচকা
রকেট ফুচকা