মেইন ম্যেনু

ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, যাত্রা বিরতি করবেন সিলেটে

জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণের পর শনিবার দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে যোগদানের জন্য গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যান তিনি।

আট দিনের সফরের শেষ দিনে লন্ডনে ব্যক্তিগত সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী। লন্ডন থেকে ঢাকা ফেরার পথে শনিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতি করবেন।

এর পর বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্সের একটি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ গ্রহণ করায় তাকে ব্যাপক গণসংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এ গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষ্যে শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সকলকে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছে দলটির শীর্ষ নেতারা।

সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাবিরতি উপলক্ষে এসএসএফ সদস্যরা পুরো বিমানবন্দর ঘিরে রেখেছেন। র‌্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বিমানবন্দর ছাড়াও নগর জুড়ে তৈরি করেছেন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে সংবর্ধনা দেবে দলীয় নেতাকর্মীরা। এ উপলক্ষে দলটির বিভিন্ন কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেছেন।

নিউইয়র্কে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা গত ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে তার দেশের বিবৃতি পাঠ করেন।

প্রধানমন্ত্রী গত ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির (ইউনেপ) নির্বাহী পরিচালক আচিম স্টেইনারের কাছ থেকে মর্যাদাপূর্ণ ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ এ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন।

শেখ হাসিনা গত ২৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) মহাসচিব হুলিন ঝাওয়ের কাছ থেকে ‘আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার’ গ্রহণ করেন।

২৮ সেপ্টেম্বর অন্যান্য রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এবং রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে আয়োজিত ভোজসভায় যোগ দেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে যোগদান ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী বেশকিছু অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ডাচ প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, এবং নেদারল্যান্ডের রাণী ম্যাক্সিমাসহ বেশ কিছু রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এ ছাড়াও নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তৃতা করেন তিনি।