মেইন ম্যেনু

ফিরলেন মেসি-নেইমার, জয়ে ফিরল বার্সাও

আগের চার ম্যাচে ছিলেন না তারা দুজন। লিওনেল মেসি, নেইমারকে ছাড়া বার্সেলোনাও যেন ছিল ছন্নছাড়া। প্রাক-মৌসুমে ওই চার ম্যাচের তিনটিতেই হেরে যায় বার্সা। তাও আবার তিনটিই টানা হার। এবার ফিরলেন মেসি-নেইমার। জ্বলেও উঠলেন দুই তারকা। আর তাতে বার্সাও ফিরে পেল নিজেদের হারানো গৌরব। মেসি, নেইমার ও ইভান রাকিটিচের একটি করে গোলে জন গাম্পার ট্রফিতে রোমাকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে বার্সা। পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের ৩৮তম শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা।

ক্যাম্প ন্যুয়ে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত আড়াইটায় শুরু হয় ম্যাচটি। তার আগে চোখ ধাঁধানো লেজার শোর মাঝে ট্রেবলজয়ী বার্সার খেলোয়াড়দের স্বাগত জানান ক্যাম্প ন্যুয়ের দর্শকরা। ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঢেউ তোলে বার্সা। তাদের আক্রমণে রোমা রীতিমতো কাঁপছিল। স্বাগতিক দর্শকদের গোল উপহার দিতে খুব বেশি সময়ও লাগেনি বার্সার।

২৬ মিনিটে গোলের সূচনা করেন নেইমার। এই গোলে মেসির অবদানও কম ছিল না। বক্সের ভেতর দূরপাল্লার বুদ্ধিদীপ্ত ক্রস দেন আর্জেন্টাইন তারকা। প্রথমে বল পেয়ে যান জেরমি ম্যাথিউ। তিনি পাস দেন নেইমারকে। রোমার গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন নেইমার। এর আগে রাকিটিচের একটি জোরালো শট রোমার গোলরক্ষক ঠেকিয়ে না দিলে ১৫ মিনিটেই এগিয়ে যেত বার্সা।

এরপর ৪১ মিনিটে বার্সার ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেসি। দলীয় প্রচেষ্টার দারুণ এক গোল ছিল এটা। বক্সের ডানদিক থেকে রোমার এক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে পাস দেন লুইস সুয়ারেজ। দানি আলভেজ বল পেয়ে বাড়ান নেইমারকে। নেইমারের কাছে থেকে মেসি। আর মেসির পা থেকে সরাসরি রোমার জালে। ফলে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।

বিরতি থেকে ফিরে বেশিক্ষণ অবশ্য খেলা হয়নি মেসি-নেইমার- সুয়ারেজদের। ম্যাচের ৬০, ৬১ মিনিটে এই তিনজনসহ আট খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন বার্সা কোচ লুইস এনরিক। তাতে অবশ্য আক্রমণে ধার কমেনি বার্সার। তার প্রমাণ ৬৬ মিনিটে রাকিটিচের দুর্দান্ত এক গোল। প্রথমার্ধে তার জোরালো এক শট ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন রোমার গোলরক্ষক।

এবার অতিথি গোলরক্ষককে সে সুযোগ দেননি রাকিটিচ। ৩০ গজ দূর থেকে দারুণ এক শটে লক্ষ্যভেদ করেন ক্রোয়েশিয়ার এই মিডফিল্ডার। শেষ ১০ মিনিটে পেদ্রোর একটি শট ক্রসবারে লাগে আর রাকিটিচের আরেক শট ঠেকিয়ে দেন রোমার গোলরক্ষক। তা না হলে বার্সার গোলসংখ্যা আরো বাড়তে পারতো।