মেইন ম্যেনু

ফিরে আয় বন্ধু

জীবন তো একটাই নাকি? সে জীবনটাও আবার খুব বড় নয়, ছোট। হয়তো সত্তর, ষাট কিংবা পঞ্চাশ বছর বা তারও কম সময় বেঁচে থাকবো আমরা। এরেই মাঝে কেটে গেছে অনেকটা বছর। হয়তো আমরা গড়ে তিন- চার বছরের পরিচিত।

জীবনে এমনটা সময় আসবে তখন সব থাকবে, কিন্তু মনখুলে দুটো কথা বলার মানুষ থাকবে না। জীবনের ব্যস্ততা এতো বেড়ে যাবে যে কেউ কারো খোজ নেয়ার সময়টুকু পাবে না। অনেক চেষ্টা করেও আগের মতো আর এক টেবিলে বসে চা খেতে খেতে আড্ডাটা জমে উঠবে না।

আমাদের মধ্যে কেউ থাকবে না। চলে যাবে না ফেরার দেশে। সে মানুষটা আমিও হতে পারি। অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ, আমিও তো মানুষ।

তাই আয় সবাই যতোদিন পারি এক সাথে থাকি,আড্ডা দেই, খুনসুটি করি, এক সাথে বাঁচি। আর পারলে ভাল কিছু করি সবাই মিলে। জীবনের কোন এক বেলায় ভুঁড়িভঁুড়ি অর্থবিত্ত হবে। কিন্তু, চাইলেও আর কোন পড়ন্ত বিকেলে আমাদের এ ছোট্ট শহরের এক আবদ্ধ ছোট্ট ঘরে কোচিং করার ছলে একসাথে হতে পারবো না। এটাই বাস্তবতা। জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো দ্বিতীয় বার আসে না।

তোর মা-বাবা, তোর আদরের ছোট্ট বোনটা আজো তোর পথ চেয়ে। অভিমান করে আর কতদিন নিখোঁজ থাকবি? এদেশ তোর দিকে চেয়ে আছে। ফিরে আয় বন্ধু।

লেখক-
আল- আমীন আপেল
শিক্ষার্থী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।