মেইন ম্যেনু

ফুরিয়ে যাচ্ছে সাপের বিষের প্রতিষেধক : হাজারো জীবন ঝুঁকিতে

বেশ আতঙ্কজনক তথ্যই দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সাপের বিষের অন্যতম কার্যকর প্রতিষেধক শেষ হয়ে আসছে। এর ফলে হাজারো মানুষ জীবনের ঝুঁকিতে পড়বে। খবর বিবিসির।

ডক্টর উইদাউট বর্ডার্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাব-সাহারান আফ্রিকার ১০ ধরনের বিষাক্ত সাপের বিষের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া ফাভ-আফ্রিকী’র নতুন মজুদ প্রয়োজন।

ফাভ-আফ্রিকীর সর্বশেষ মজুদ ২০১৬ সালের জুন নাগাদ শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু প্রতিষেধকটির কার্যকর কোনো বিকল্পের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

প্রতিষেধকটির উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সানোফি পাস্তুর জানিয়েছে, বাজারে প্রতিষেধকটি এখন আর সহজলভ্য নয়। এর বিকল্প কয়েকটি প্রতিষেধক থাকলেও সেগুলো তেমন কার্যকর নয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বিভিন্ন জাতের সাপের বিষের প্রতিষেধক হিসেবে ফাভ-আফ্রিকী নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত।

সানোফি আরও জানিয়েছে, নতুন প্রতিষেধক তৈরিতে তারা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর উৎপাদন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবে। তবে ২০১৬ সালের শেষের আগে এ আলোচনা সমাপ্ত হবে না বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় সাপে কাটার বিষয়টিকে অবহেলার চোখে দেখা হয়। কিন্তু এ বিষয়ে আরও মনোযোগ ও বিনিয়োগ দরকার।

সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০ লাখ লোককে সাপে কাটে। এদের মধ্যে ১ লাখ লোকের মৃত্যু ও ৪ লাখ লোক স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেন।

সাব-সাহারান অঞ্চলে সাপে কাটার শিকার হয়ে প্রতি বছর অন্তত ৩০ হাজার লোক মারা যায়।