মেইন ম্যেনু

ফুলবাড়ীতে চলছে আমন ধান কাটা মাড়াই; দম ফেলার সময় নাই কৃষক-কৃষাণীদের

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গ্রামাঞ্চলে মাঠে মাঠে চলছে আমন ধান কাটা মাড়াইয়ের ধুম। ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, দম ফেলার সময় নাই কৃষক-কৃষাণীদের । সেই সাথে ঘরে ঘরে চলছে নবান্নর উৎসব।

সরেজমিন ফুলবাড়ী উপজেলার সকল ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ধান কাটা মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন কৃষক-কৃষণীরা। কাটা-মাড়াই শেষে গৃহবুধরা আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিয়ে ধান ঘরে তুলছেন তারা। তবে ভালো ফলন হলেও হাট-বাজারে ধানের দাম না থাকায় চোখে মুখে হতাশা আর শঙ্কার মধ্যে দিন কাটছে কৃষকের। ধানের দাম কম হওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না তারা।

ফুলবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্রি-ধান-৬২ ও বিনা-৭ আবাদ করে বেশ ভালো ফলন পেয়েছেন তারা। ব্রি-ধান-৬২ জাতের আমন ধান ৯০ থেকে ১০০ দিন এবং বিনা-৭ জাতের ধান ১১০দিনের মধ্যেই কাটা যায়। এবার ব্রি-ধান-৬২ প্রতি বিঘায় ১৩ মণ থেকে ১৫ মণ করে ধান ফলেছে। সময়কাল কম হওয়ার কারণে এধানের আবাদ করার পরেও রবি ফসল চাষের সুযোগ থাকে। এতে করে কৃষকেরা ধানের পাশাপাশি রবি ফসল চাষ করে বাড়তি আয় করছেন।
এমনিতেই আগে থেকেই নিম্নমুখী ধানের দাম। আগামী দু’এক সপ্তাহের মধ্যে হাট-বাজারে আমন ধানের আমদানী বাড়বে। এ কারণে আরেক দফা ধানের দাম কমবে বলে আশঙ্কা কৃষকদের। প্রকারভেদে বর্তমানে ধান মণ প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫শ থেকে ৬শ ৮০ টাকায়।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এবারের আমন আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে, ফলন ও হয়েছে আশানরূপ। এবার আগাম নতুন ধান ঘরে ওঠায় আগাম নবান্ন উৎসবও শুরু হয়েছে গ্রাগুলোতে। এদিকে খালি জমিতে রবি ফসলের চাষের জন্য শুরু করেছেন কৃষকেরা। আগাম খালি হওয়া জমিতে আলু, সরিষা, পেঁয়াজ, ফুলকপিসহ বিভিন্ন ধরনের রবি ফসলের চাষ করে কৃষকেরা বাড়তি আয় করতে পারবেন বলে কৃষি বিভাগ জানান।