মেইন ম্যেনু

ফেনী: জাপার প্রার্থিতা প্রত্যাহার, জয়ের পথে আ.লীগ

ফেনী পৌরসভায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী যুবসংহতির যুগ্ম-মহাসচিব মির্জা মোহম্মদ ইকবাল আলমগীর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এতে করে পরশুরামের মত এখানেও সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী আলাউদ্দিনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবার পথ সুগম হয়েছে।

সোমবার জাপা প্রার্থী তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানায়, আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত আলাউদ্দিন, বিএনপি মনোনীত ফজলুর রহমান বকুল, জাতীয় পার্টি মনোনীত মির্জা মোহাম্মদ ইকবাল আলমগীর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম মজুমদার।

শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে হলফনামায় তথ্য গোপন ও ঋণখেলাপির দায়ে ফজলুর রহমান বকুল এবং সমর্থকের স্বাক্ষর জাল করায় আতিকুল আলম মজুমদারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। মেয়র পদে ছেড়ে দিতে গত দুইদিন ধরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে জাপা প্রার্থী ইকবাল আলমগীরের দেনদরবার চলে। একপর্যায়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রবিবার তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন। তবে লেনদেনের বিষয়টি উভয় পক্ষই অস্বীকার করেছেন। আগামী ১৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন ধার্য থাকলেও আজ সোমবার ইকবালের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন রিটার্নিং অফিসে জমা দেয়া হয়। তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার হওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র পদে আলাউদ্দিনের জয়ের পথে আর কোন বাধা থাকল না।

এর আগে ফেনী পৌরসভায় কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৬টি এবং দাগনভূঞা ও পরশুরামে কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৭টি একক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেয়। ইতিমধ্যে পরশুরাম পৌরসভায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী পৌর যুবদলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদের জামানতের টাকা কম দেয়া, সমর্থকের স্বাক্ষর জাল ও হলফনামায় তথ্য গোপন করায় মনোনয়নপত্র বাতিল করায় আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেলও বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।