মেইন ম্যেনু

ফের ট্যানারি মালিকদের সময় বেঁধে দিল সরকার

রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তরে নতুন করে আবারো সময় বেঁধে দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। ট্যানারি কারখানা মালিকদের চলতি মাসের মধ্যে নতুন চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

বুধবার দুপুরে শিল্প মন্ত্রণালয়ে চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্পের কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ের সভায় নতুন এ সময় বেঁধে দেওয়া হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসির সভাপতিত্বে সভায় মালিকদের দুটি সংগঠন বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এ্যাক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএলএলএফইএ) ও বাংলাদেশ ট্যানারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) প্রতিনিধিসহ বিসিক ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বহুল আলোচিত এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। প্রতিষ্ঠানটির অধীন চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) দপ্তর থেকে ট্যানারি স্থানান্তরে মালিকদের গত কয়েক বছরে ২৮ বার লিখিত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কারখানা মালিকদের কাছে পাঠানো হয়েছে উকিল নোটিশও। নোটিশের জবাব মিললেও নতুন চামড়া শিল্পনগরীতে যেতে সাড়া মেলেনি।

এরমধ্যে গত ১০ জানুয়ারি ট্যানারি শিল্প ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে নিতে আলটিমেটাম দেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। এরপরে ১ এপ্রিল থেকে রাজধানীর হাজারীবাগে কাঁচা চামড়ার প্রবেশ নিষিদ্ধ করে সরকার। পরে ৩ এপ্রিল এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে ট্যানারি স্থানান্তরে মালিকদের ১০ এপ্রিল আজ পর্যন্ত সময় দিয়েছিল বিসিক। এ সময়ের মধ্যেও কারাখানা স্থানান্তর করতে পারেনি কারখানা মালিকরা। মাত্র দুটি কারখানা মালিক তাদের প্রস্তুতি শেষ করেছে। এ অবস্থায় বুধবার মালিকদের নতুন করে আবার সময় দিল সরকার।

সভা শেষে শিল্পসচিব সাংবাদিকদের জানান, সময় বাড়ানোর পাশাপাশি মালিকদের ক্ষতিপূরণের শর্তও শিথিল করেছে সরকার। ট্যানারি শিল্প স্থানান্তরে মালিকদের ২৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে ১২৬টি ট্যানারি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, যা মোট ক্ষতিপূরণের ২৪ শতাংশ। বাকি ক্ষতিপূরণ চলতি অর্থবছরের মধ্যে মালিকদের নিকট হস্তান্তর করবে সরকার।