মেইন ম্যেনু

ফের রিমান্ডে সেই তিন আইনজীবী

জঙ্গি সংগঠন ‘শহীদ হামজা ব্রিগেড’কে অর্থ সহায়তার অভিযোগে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানাসহ তিন আইনজীবীকে হাটহাজারী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি প্রত্যেককে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছে চট্টগ্রামের একটি আদালত।

এদের মধ্যে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানাকে দুই দিন ও অ্যডাভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন ও অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপনকে তিন দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন আদালত।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোসাদ্দেক মিনহাজের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক অনু মং বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বুধবার আদালতের আদেশে এই তিন আইনজীবীকে বাঁশাখালী থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১০/১৩ মামায় গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল র‌্যাব। রিমান্ড শেষে গতকাল রোববার হাটহাজারী থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, অ্যাডভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন ও অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপনকে হাটহাজারী থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট ও ৫ দিনের রিমান্ডে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের এএসপি রুহুল আমিন।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদিকা ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানাসহ তিন আইনজীবীকে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ও র‌্যাবের কড়া নিরাপত্তায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে চট্টগ্রাম আদালতে নিয়ে আসা হয়।

তাদের আদালতে হাজিরা উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা।

এদিকে রোববার চারদিনের রিমান্ড শেষে একে একে বাঁশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেনের আদালতে জবানবন্দি দেন গ্রেপ্তার তিন আইনজীবী। জবানবন্দি শেষে তাদের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে জামিন নাকচ করে প্রত্যককে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

জবানবন্দিতে তারা প্রত্যেকেই নিজেদের হেফাজতে ইসলামের মামলা পরিচালনা বাবদ চুক্তি অনুযায়ী জামিন পাইয়ে দিতে না পারায় মোট এক কোটি আট লাখ টাকা ডাচ বাংলা, সোনালী ও এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে ফেরত দেয়ার কথা জানান। এরমধ্যে দুই দফায় ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা দিয়েছেন ৫২ লাখ টাকা, অ্যাডভোকেট লিটন দিয়েছেন ৩২ লাখ টাকা এবং অ্যাডভোকেট বাপন ২৫ হাজার টাকা দিয়েছেন।

এক ‘বড় ভাইয়ে’র নির্দেশে ওসমান আমিন নামে একজনের নির্দেশে মারণাস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হামজা ব্রিগেডের সামরিক শাখার প্রধান মনিরুজ্জামান ডনকে এসব টাকা ‘ফেরত দেয়া’ হয়।

টাকা প্রদানের বিষয়টি স্বীকার করলেও সরাসরি জঙ্গি কার্যক্রমে টাকা দেয়ার কথা তারা তিনজনই অস্বীকার করেন।