মেইন ম্যেনু

ফেলনা কলার খোসার অজানা ৭ ব্যবহার

পরিচিত এবং সহজলভ্য একটি ফলের নাম কলা। এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে কম বেশি আমরা সবাই জানি। অধিক পটাশিয়ামযুক্ত বলে রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী এটি। কলা খাওয়ার পর তার খোসাটি কী করেন? ফেলে দেন নিশ্চয়। আপনি কি জানেন এই কলার খোসার রয়েছে নানা ব্যবহার! কলার খোসার অজানা ব্যবহার নিয়ে আজকের ফিচার।

১। ত্বক থেকে কালি দূর করতে

ত্বক থেকে কলমের কালির দাগ দূর করতে কলার খোসা বেশ কার্যকর। সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পর দাগ দূর না হলে কলার খোসা ব্যবহার করে দেখুন। কলার খোসার সাদা অংশ হাতের কালির দাগে ঘষুন। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখবেন দাগ গায়েব হয়ে গেছে।

২। দাঁত সাদা করতে

কলার খোসা দাঁত সাদা করতে সাহায্য করে। কলার খোসায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আছে যা দাঁত প্রাকৃতিকভাবে সাদা করে থাকে। কলার খোসার ভিতরে অংশ দিয়ে দাঁতে ঘষুন। কিছুক্ষণ ঘষার পর দেখবেন দাঁত অনেকখানি সাদা হয়ে গেছে।

৩। আঁচিল দূর করতে

শরীরের আঁচিল খুবই বিরক্তকর একটি ব্যাপার। কলার খোসা এই আঁচিল দূর করতেও সাহায্য করতে পারে। কলার খোসার ভেতরের অংশ আঁচিলের ওপর রাখুন। নিয়মিত ব্যবহারে আঁচিল শুকিয়ে পড়ে যাবে। তবে ৭ দিনের মধ্যে এ পদ্ধতিতে আঁচিল পড়ে না গেলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

৪। পোকার কামড় দূরে

যেখানে পোকা কামড় দিয়েছে সেখানে কলার খোসা ঘষুন। এটি চুলকানি কমিয়ে দিবে। কলার খোসাতে পলিস্যাকারাইড আছে যা ত্বকের চুলকানি কমিয়ে দেয়।

৫। জুতো পলিশ করতে

চামড়া জুতো দ্রুত ধুলোবালি, ময়লা লেগে নষ্ট হয়ে যায়। কলার খোসা দিয়ে চামড়া জুতো ঘষুন। তারপর নরম কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। দেখুন জুতো কেমন নতুনের মত হয়ে গেছে।

৬। ব্যথা দূর করতে

কলার খোসা ব্যথা দূর করতে বেশ কার্যকর। শরীরে যেকোন ব্যথা দূর করতে কলার খোসা ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক আগ থেকে। কলার খোসাতে পটাশিয়াম আছে যা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। অনেক মনে করেন মাথা ব্যথা করলে কলার খোসার নরম অংশ কপালে দিয়ে রাখলে ব্যথা দ্রুত কমে যায়।

৭। সিডি বা ডিভিডির স্ক্র্যাচ দূর করতে

সিডি বা ডিভিডিতে কিছুদিনের মধ্যেই স্ক্র্যাচ পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। এতে সিডি চলতে চায় না, ডিভিডির ভিডিও আটকে আটকে যায়। এই সমস্যা সমাধান করে দেবে কলার খোসা। কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে সিডি বা ডিভিডিটিভালো করে ঘষে নিন। দেখবেন স্ক্র্যাচ একেবারেই চলে গিয়েছে।



« (পূর্বের সংবাদ)