মেইন ম্যেনু

ফেসবুকে ‘ভিনগ্রহের ভ্রূণ’ ছবি নিয়ে তোলপাড়

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এক ফেসবুক ব্যবহারকারী অদ্ভূত প্রাণী আকৃতির কয়েকটি ছবি আপলোড করে। কিন্তু সেসব ছবি পরবর্তীতে ‘ভিনগ্রহের ভ্রুণ’ দাবী করে মুহূতেই ভাইরাল হয়ে যায়।

দেখতে একটি প্রাণীর মতোই কিন্তু ঠিক প্রাণী নয় যেন ভ্রূণ অবস্থায় রয়েছে কোনো কিছু। ফলে সেসব ছবি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় ফেসবুকে। কেননা দাবী করা হয়, এটি আসলে কোনো ভিনগ্রহের প্রাণীর ভ্রূণ।

ঘটনা হচ্ছে, যে পোস্টে এই অদ্ভুত ছবিটি দেওয়া হয়েছিল সেখানে জানানো হয়েছিল মৃত অবস্থায় এটিকে পাওয়া যায়। কিন্তু পরে যারা ছবিগুলোকে ছড়িয়ে দেন তাদের দাবী, কোনো অ্যালিয়েন নাকি এটি পৃথিবীতে ফেলে গেছে। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে অদ্ভূত রকমের আলোর ঝিলিক দেখা গিয়েছিল। ফলে ফেসবুকে অনেকের পোস্টেই আলোচনা শুরু হয় এবং আকাশের অদ্ভূত আলোর ঘটনার প্রেক্ষিতে এটি যে ভিনগ্রহের কোনো প্রাণীই ফেলে গেছে, সে মতামত শুরু হয়।

কৌতূহলবশেই ওই ছবির পোস্ট ছড়াতে থাকে প্রোফাইল থেকে প্রোফাইলে। মোটকথা, ফেসবুকে ভিনগ্রহের ভ্রূণ দেখার হিড়িক শুরু হয়।

পাশাপাশি অনেকেই প্রশ্ন তুলেন সত্যি কী এটি কোনো অ্যালিয়েন, নাকি এই পৃথিবীরই কোনো প্রাণী। অনেকের মতে, এটি আসলে হরিণের ভ্রুণ। তবে যে অবস্থায় ভ্রুণটিকে বাইরে দেখা গেছে তা মাত্র কয়েক মাসের। অর্থাৎ ভ্রূণটি তেমন করে তৈরি হতে পারেনি, তাই চেনা কোনো বিশেষ আকৃতি পায়নি। তবে হরিণের ভ্রুণ বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

কিন্তু বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যাকে পাত্তা না দিয়েই সমানে ছড়াতে থাকে গুজব। বিশেষত আকাশে অচেনা আলোর কাহিনি জুড়ে গিয়ে গুজব রীতিমতো অনেকের কাছে সত্যি হয়ে ওঠে। যদিও ক্যালিফোর্নিয়ায় সরকারি ঘোষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে যে, একটা মিসাইল টেস্টের কারণেই আকাশে ওই ধরনের আলো দেখা গিয়েছিল। কিন্তু কে শোনে কার কথা!

গুজব ছড়ানোর বহর দেখে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়েই মূল পোস্টটি ডিলিট করে দিয়েছে। যদিও এখনো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে আছে এ ভ্রূণের ছবি এবং ভিনগ্রহের ভ্রূণ নিয়ে এখনো সরগরম নেট দুনিয়া।



« (পূর্বের সংবাদ)