মেইন ম্যেনু

ফেসবুকে যুবক-যুবতীর গভীর প্রেম: দেখা হতেই অজ্ঞান, কেন?

বরেলিতে এক যুবক ও যুবতীর আলাপ হয় ফেসবুকে। সে তো এখন আকছার হচ্ছে। হতেই থাকে। বরেলিতেও হয়েছে। সেই আলাপ ক্রমশ ঘনিয়েছে রসালো কথাবার্তায়। যেখানে দেদার এসেছে শরীর, মন, একাকীত্ব এবং আর যা যা এই সব চ্যাটের ক্ষেত্রে আসা উচিত।

এর পরে যা হয় আর কী! দূরত্ব কি আর সয়? দু’জনে স্থির করেন, এইবারে দেখা করতেই হবে। শরীর-মন সব ছুটেছে পাগলা ঘোড়ার মতো। আটকাবে কে!

আটকাল নিয়তি। আর কী-ই বা বলা যেতে পারে?

দেখা হতেই দু’জনের প্রায় অজ্ঞান হওয়ার জোগাড়। এ কী দেখছেন চোখের সামনে! কাকে দেখছেন!

মুখোমুখি দাঁড়িয়ে স্বামী-স্ত্রী।

ফেসবুকে দু’জনেই ফেক প্রোফাইল খুলেছিলেন। দু’জনেই জানিয়েছিলেন, ‘‘আনম্যারেড’’।

পুলিশ পর্যন্ত বিষয়টি গড়িয়েছে। কী বলছে পুলিশ? যে অফিসারের তত্ত্বাবধানে বিষয়টি রয়েছে, মুচকি হেসে তিনি বলছেন, ‘‘ফেসবুকে তো আজকাল এমন বন্ধুত্ব হামেশাই হয়। কিন্তু কপাল পোড়া হলে পরিণতি এমন হয়।’’