মেইন ম্যেনু

বউয়ের খোঁজ নিতে পিএস নিয়োগ!

বিয়ে পাগল মানুষ। তবে কনে যদি সুন্দর হয় তাহলে তো কোনো কথাই নেই। পাত্রীর খোঁজে আজকাল বিজ্ঞাপনও দেয়া হয়। তবে বর্তমান জামানায় পাত্রীর পছন্দের ওপর অনেকটা বিয়ে নির্ভর করে।

একসময় বিয়ে নিয়ে পাত্রী টু শব্দ পর্যন্ত করার সাহস পেত না। তবে ততকালীন হিন্দু সমাজে বিয়ে নিয়ে কিছু প্রথা প্রচলিত ছিল, যা শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে।

আজব বিশ্বের যতসব অকল্পনীয় ঘটনা। বিশ্বাস না হলেও ঘটনা কিন্তু সত্যি। এমন অদ্ভুত ঘটনা ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কিংবা রাজা রামমোহন রায়ের সময়কার। সেই সময়ে ততকালীন হিন্দু সমাজে বিয়ে নিয়ে কিছু প্রথা প্রচলিত ছিল। ব্রাহ্মণের মেয়ের সাথে ব্রাহ্মণের ছেলের বিয়ে হবে। এতে কোনোক্রমেই এ নিয়ম অগ্রাহ্য করা যাবে না।

দেখা গেল, কোনো পরিবারে দশ থেকে বারোজন মেয়ের বিয়ের বয়স হয়েছে কিন্তু কোনো ব্রাহ্মণ ছেলে পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে কনের বাবা অনেক চিন্তিত। এ সময় পাওয়া গেল কোনো এক ব্রাহ্মণ বয়স্ক পাত্র।

মেয়ের বাবা জাত রক্ষার্থে তার সব মেয়েকেই এক ব্রাহ্মণের সাথে বিয়ে দিতেন। এভাবে দেখা যেত কোনো ব্রাহ্মণ ছেলের প্রায় দুই তিনশ’ বউ থাকতো। ব্রাহ্মণরা তাদের বউয়ের হিসাব রাখার জন্য কাগজে লিখে রাখতেন। বউয়ের খোঁজ নিতে নিয়োগ দিতেন পিএস। বউয়ের খবরা-খবর পিএসকে দিয়েই নিতেন।

বিভিন্ন পালা পার্বণে সব বউয়ের কাছে যেতে পারতেন না ব্রাহ্মণ। এ জন্য তিনি তার পিএসকে পাঠাতেন। মেয়েটি হয়তো আশা করে আছে তার স্বামী আসবে বিয়ের পরে।

দেখা হবে এই প্রথম। মেয়েটি হয়তো তার স্বামীর চেহারাও ভুলে গেছে। কিন্তু ব্রাহ্মণের পরিবর্তে সেই পিএস উপহার নিয়ে হাজির। উপরন্তু ব্রাহ্মণের বউয়ের সাথে সময় দিয়ে গেল পিএস।