মেইন ম্যেনু

বগুড়ার শেরপুরে বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ পাঁচটি আবাসিক এলাকা

বগুড়ার শেরপুরে গত তিনদিনের ভারী বর্ষনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে রোগী ও চিকিৎসকদের চলাচলে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেনগুলো অকেজো হয়ে পড়ায় আশেপাশের ৫টি আবাসিক এলাকাতেও এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাথে লাগানো চলাচলের রাস্তাটিতে খানা খন্দক ও নিচু হওয়ায় পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও পৌরসভা নির্মিত পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলোর মধ্যে মাটি ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে মুখ বন্ধ অবস্থায় দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে এই দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীদের। তাছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে স্থানীয় সাংসদ অবাধে চলাচল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্ত্বরে মসজিদে নামাজ আদায় করলেও তা সংস্কারে পৌর কর্তৃপক্ষ তথা সংশ্লিষ্টদের নির্দেশে তার উদাসীন দৃষ্টি এলাকার সচেতনমহলকেও ভাবিয়ে তুলছে।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, সমস্যা নিয়ে তিনি শেরপুর পৌরসভায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। এতেও কোনো উপকারে আসেনি। ফলে রোগীরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আমার মনে হয় রাস্তার দু’পাশে অনেক পৌর প্লানের বর্হিভূত ক্লিনিক নির্মান হওয়ায় ড্রেনের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে তাই পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, সড়কের পাশ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের যেসব ড্রেন রয়েছে তা কয়েক বছর ধরে ভরাট হয়ে পড়ে রয়েছে। আরেক বাসিন্দা মো. রফিক বলেন, দীর্ঘ ছয় বছরের মধ্যে তিনি পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো শেরপুর পৌরসভাকে পরিস্কার করতে দেখেননি। সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে একাধিকবার অনুরোধ করেও তিনি কর্নপাত করেননি।

প্রসঙ্গে শেরপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র ফিরোজ আহম্মেদ জুয়েল সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ওই এলাকায় জলাবদ্ধতায় স্থানীয় লোকজনের দুর্ভোগ বেড়েছে। সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।