মেইন ম্যেনু

বন্দর ও বিদ্যুৎ খাতে ভারতীয় বিশাল বিনিয়োগ আসছে

ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব সুব্রাহ্মনিয়াম জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের তারিখ নির্ধারণ করতে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে আসছেন। নয়াদিল্লিতে আগামী এপ্রিলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

ওই বৈঠকের বিষয়ে আলোচনা করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন জয়শঙ্কর। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের তারিখ নির্ধারণ ও আলোচ্যসূচির বিষয়ে কথা বলবেন দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব। আগামী এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে যেতে পারেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের চেয়ারম্যান মুনশি ফায়েজ আহমদ বলেন, শেখ হাসিনার ভারত সফরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে। এতে সড়ক, রেলপথ, জলপথ ও বিদ্যুৎ খাতের অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস, ও বন্দর খাতে ভারতীয় প্রায় এক হাজার একশো কোটি ডলার বিনিয়োগ পাইপ লাইনে রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে ভারতীয় কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকা স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে নয়াদিল্লি।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে দুই দেশের মাঝে ৬.১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার বাংলাদেশ।

এদিকে, ভারতের কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের টানাপড়েনের জেরে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি আটকে আছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে আটকে যেতে পারে এই চুক্তি।

মুনশি ফায়েজ আহমদ বলেন, ‌‌আমরা ভারতের কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সম্পর্কের জালে আটকা পড়েছি। এখান থেকে বের হওয়া সহজ নয়।