মেইন ম্যেনু

বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি মানুষের

বিভিন্ন জেলায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি মানুষের। পর্যাপ্ত ত্রাণ সহযোগিতা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ বন্যার্তদের। অন্যদিকে, জোয়ারের পানি বেড়ে নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে কিছু এলাকা।

শরীয়তপুর: শরীয়তপুরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও, জেলার অনেক কাঁচা-পাকা সড়ক এখনো পানিতে তলিয়ে আছে। নষ্ট হয়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। পর্যাপ্ত খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট রয়েছে। এ অবস্থায় পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ায়, চরম ভোগান্তির মধ্যে আছে বন্যার্ত মানুষ।

ঝালকাঠি: ঝালকাঠিতে জোয়ারের কারণে সুগন্ধা ও বিশখালী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায়, নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। তলিয়ে গেছে ৩ উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রাম। বিলীন হয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেত।

বাগেরহাট: বাগেরহাটেও জোয়ারের পানি বাড়ায় নষ্ট হয়ে গেছে মাছের ঘের। বসত বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে অসহায় মানুষ। দেখা দিয়েছে পশু খাদ্যের সংকট।

কুড়িগ্রাম: ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ কুড়িগ্রামে নদনদীর পানি কমেছে। কুড়িগ্রাম জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিন্তু দুর্ভোগ কমেনি বন্যাকবলিত এলাকার মানুষজনের। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত নানা রোগ।

সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণতৎপরতা অব্যাহত থাকলেও সমন্বয়হীনতার অভাবে ত্রাণসহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ বন্যাদুর্গতদের। এসব এলাকায় নৌকা দেখলেই ত্রাণের আশায় ছুটছে মানুষজন। এ অবস্থায় পুর্নবাসনসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যাপ্ত ত্রাণসহায়তা কামনা করছেন তারা।

এছাড়া পটুয়াখালী, রাজবাড়ী ও ভোলায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন ও পর্যাপ্ত ত্রাণ সহযোগিতার দাবি বন্যা কবলিত মানুষের।