মেইন ম্যেনু

বরগুনায় কুমারী মেয়ের সন্তান প্রসব

দিনমজুর আয়নাল হকের কুমারী মেয়ে সুমী (১৬) এক মৃত ছেলে সন্তানের মা হয়েছেন। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৯ টায় বরগুনা তালতলী উপজেলার বড়বগি ইউনিয়নের মালিপাড়া গ্রামে।

সুমী বর্তমানে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ব্যাপারে সুমির পিতা বাদী হয়ে ধর্ষক হাচন প্যাদা ও তার সহযোগী বন্ধু গিয়াস উদ্দিনকে আসামী করে তালতলী থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করনে।

হাসপাতালের বেডে শুয়ে সুমী এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার এ অবস্থার জন্য দায়ী হাচন প্যাদা। আমাদের বাড়ী থেকে তার বাড়ীর দুরত্ব প্রায় আধা কিলোমিটার। মাছ ধরার ছল করে দিনরাত সে আমাদের বাড়ী আসতো। এক পর্যাায় সে আমার সাথে মিথ্যে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। এর সুবাদে তার সাথে আমার একাধিকবার দৈহিক মিলন ঘটে। এ সম্পর্ক প্রায় ৩ মাস ধরে চললে আমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি।

এ বিষয়টি হাচন প্যাদাকে জানালে সে আমাকে বিয়ে করবে বলে পুনরায় কথা দিয়ে ৪-৫ দিন আগে আমতলী নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে আমাকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়ান। পরে আমার পেটে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করলে হাচন প্যাদা তাৎক্ষনিক আমাকে তালতলী নিজ বাড়ীতে নিয়ে আসে। এর কয়েকদিন পর আজ সকালে আমি এক মৃত পুত্র সন্তান প্রসব করি। সন্তান প্রসবের পরে আমার অবস্থা গুরুতর দেখে আমাকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়। চার সন্তানের পিতা হাচন প্যাদা একই গ্রামের মৃত দেনছের আলীর ছেলে।

এ ব্যাপারে সুমীর মা মিনারা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি গরীব মানুষ ভিক্ষা করে খাই। এই মেয়েকে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাবো? হাচন প্যাদা আমার মেয়েকে বিয়ের কথা বলে মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে যে ক্ষতি করেছে, আমি এর কঠিন বিচার চাই।

এ ব্যাপারে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান ধর্ষক হাসন প্যাদাকে গ্রেফতারের জোড় চেষ্টা চলছে তবে সহযোগী বন্ধু গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।